1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. fdvcd4343vvsdrt23@n8ncreator.ru : alycemack871088 :
  3. givememoney@needforspeeds.online : angiespooner7 :
  4. roberttaylor1755ywts@gsasearchengineranker.com : anyapraed2271 :
  5. fgdfvbvdfsdfr3e4@n8ncreator.ru : carltonhilder5 :
  6. thomaswilson2694l2du@welcometotijuana.com : devonquigley892 :
  7. olegkurapatov343@dyrochka.website : dixiekaylock :
  8. noledy@dyrochka.website : estellehanger :
  9. fengzhang88955jj4n@seoautomationpro.com : gailfrancisco25 :
  10. davidwilson2900s4d@verifiedlinklist.com : gordonhand83 :
  11. jennifermartinez5223xvyc@gsasearchengineranker.com : gustavostamper :
  12. anthonydavis2330ycpr@gsasearchengineranker.com : hesterlangford :
  13. richardhernandez3925iexx@travel-e-store.com : jaredwaldrop9 :
  14. mayaal-ahmad102474wyf@seoautomationpro.com : judsonannunziata :
  15. jenniferbrown3524n04w@verifiedlinklist.com : keeshatiffany95 :
  16. asddgfsdewr2wdfsdrwerwesa@tomorrow5.fun : lashawndaingle3 :
  17. asddgfsdewr2wrwerwegfh45sa@tomorrow5.fun : melbacaple :
  18. fdgdfwer454523423dswqdwqr@n8ncreator.ru : patriciaqmc :
  19. sarahmoore9649yrnp@welcometotijuana.com : randellrawlins :
  20. josephhernandez7903zgvy@travel-e-store.com : raymonfassbinder :
  21. asddgfsdewr2wrwerwesdfsdfsdfsa@tomorrow5.fun : troyranclaud56 :
  22. barbarahernandez3773z8ik@gsasearchengineranker.com : veijere2358 :
  23. barbaraanderson7116r3sd@travel-e-store.com : vernelltzh :
ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি ঘিরে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

প্রতিনিধির নাম
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন যৌন অপরাধী প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত লাখ লাখ নতুন নথি, ভিডিও এবং ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কারণ এসব নথিতে প্রত্যাশিতভাবেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম, ধনকুবের মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্র্র্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর, মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনসহ অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম এসেছে অনেকবার। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আনোয়ার ইবরাহিম এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করে এ ধরনের খবর ও অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) গত ৩০ জানুয়ারি এপস্টেইন সম্পর্কিত প্রায় ৩০ লাখ পাতা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করে। সব নথিপত্র প্রকাশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষরিত আইনের সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর এগুলো প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে আছে যৌন নিপীড়ক এপস্টেইনের কারাগারে থাকার সময়ের বিস্তারিত তথ্য। এর মধ্যে তার মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক রিপোর্ট ও জেলে থাকার সময়ে মৃত্যুর তথ্য আছে। এ ছাড়া এপস্টেইনের সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্তের নথিও আছে এর মধ্যে। ম্যাক্সওয়েলকে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচারে এপস্টেইনকে সাহায্য করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। নথিপত্রের মধ্যে এপস্টেইন ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে আদানপ্রদান করা ইমেইলও রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের বন্ধুত্ব ছিল। তবে তিনি বলেছেন সেটি চুকে গেছে বহু বছর আগেই এবং যৌন অপরাধ বিষয়েও তার কিছু জানা ছিল না বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

মোদিকে জড়িয়ে এপস্টেইনের দাবি ভিত্তিহীন, বলল ভারত : জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নতুন ইমেইলগুলোতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে জড়িয়ে করা একাধিক দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত সরকার। প্রকাশিত ইমেইলগুলোতে মোদিকে নিয়ে বলা কথার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই দাবি করে এগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়েও দিয়েছে তারা। গত ৩১ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করে।

এপস্টেইনের সঙ্গে যোগসূত্র অস্বীকার করেছেন আনোয়ার ইবরাহিম : ১৪ বছরের পুরোনো একটি ইমেইল আদানপ্রদানে নিজের নাম উঠে আসার পর এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকার অভিযোগ স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম। দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা বারনামাসহ প্রায় সবকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আজই জানতে পারলাম, কোনো এক বহিরাগত ব্যক্তি আমার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছিল এবং এপস্টেইন-সংক্রান্ত একটি ইমেইলে আমার নাম ‘ড্রপ’ করেছে।

এপস্টেইন নথিতে নাম আসায় লেবার পার্টি ছাড়লেন লর্ড ম্যান্ডেলসন : এপস্টেইন সম্পর্কিত নথিতে নাম আসার পর যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক মন্ত্রী লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন। তবে লেবার পার্টির সদস্য পদ ছাড়লেও এ বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ম্যান্ডেলসনের। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর জন্য সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। লেবার সরকারে ম্যান্ডেলসনের ভূমিকা নিয়ে পূর্ণ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতারা।

এপস্টেইনের কাছে পাঠানো হয়েছিল কাবার গিলাফের কাপড় : সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের (কিসওয়া) কাপড়ের একটি চালান সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক নারীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছিল। পরে ওই কাপড় জেফরি এপস্টেইনের কাছে পৌঁছানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নতুন নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি ঘিরে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৩:০২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন যৌন অপরাধী প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত লাখ লাখ নতুন নথি, ভিডিও এবং ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কারণ এসব নথিতে প্রত্যাশিতভাবেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম, ধনকুবের মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্র্র্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর, মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনসহ অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম এসেছে অনেকবার। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আনোয়ার ইবরাহিম এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করে এ ধরনের খবর ও অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) গত ৩০ জানুয়ারি এপস্টেইন সম্পর্কিত প্রায় ৩০ লাখ পাতা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করে। সব নথিপত্র প্রকাশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষরিত আইনের সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর এগুলো প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে আছে যৌন নিপীড়ক এপস্টেইনের কারাগারে থাকার সময়ের বিস্তারিত তথ্য। এর মধ্যে তার মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক রিপোর্ট ও জেলে থাকার সময়ে মৃত্যুর তথ্য আছে। এ ছাড়া এপস্টেইনের সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্তের নথিও আছে এর মধ্যে। ম্যাক্সওয়েলকে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচারে এপস্টেইনকে সাহায্য করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। নথিপত্রের মধ্যে এপস্টেইন ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে আদানপ্রদান করা ইমেইলও রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের বন্ধুত্ব ছিল। তবে তিনি বলেছেন সেটি চুকে গেছে বহু বছর আগেই এবং যৌন অপরাধ বিষয়েও তার কিছু জানা ছিল না বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

মোদিকে জড়িয়ে এপস্টেইনের দাবি ভিত্তিহীন, বলল ভারত : জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নতুন ইমেইলগুলোতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে জড়িয়ে করা একাধিক দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত সরকার। প্রকাশিত ইমেইলগুলোতে মোদিকে নিয়ে বলা কথার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই দাবি করে এগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়েও দিয়েছে তারা। গত ৩১ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করে।

এপস্টেইনের সঙ্গে যোগসূত্র অস্বীকার করেছেন আনোয়ার ইবরাহিম : ১৪ বছরের পুরোনো একটি ইমেইল আদানপ্রদানে নিজের নাম উঠে আসার পর এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকার অভিযোগ স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম। দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা বারনামাসহ প্রায় সবকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আজই জানতে পারলাম, কোনো এক বহিরাগত ব্যক্তি আমার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছিল এবং এপস্টেইন-সংক্রান্ত একটি ইমেইলে আমার নাম ‘ড্রপ’ করেছে।

এপস্টেইন নথিতে নাম আসায় লেবার পার্টি ছাড়লেন লর্ড ম্যান্ডেলসন : এপস্টেইন সম্পর্কিত নথিতে নাম আসার পর যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক মন্ত্রী লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন। তবে লেবার পার্টির সদস্য পদ ছাড়লেও এ বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ম্যান্ডেলসনের। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর জন্য সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। লেবার সরকারে ম্যান্ডেলসনের ভূমিকা নিয়ে পূর্ণ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতারা।

এপস্টেইনের কাছে পাঠানো হয়েছিল কাবার গিলাফের কাপড় : সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের (কিসওয়া) কাপড়ের একটি চালান সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক নারীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছিল। পরে ওই কাপড় জেফরি এপস্টেইনের কাছে পৌঁছানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নতুন নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।