1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত আনন্দ গুপ্ত, ঈদ-পূজায় পাশে দাঁড়ান অসহায় মানুষের

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৫

মানবসেবাই যার ব্রত, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যার আনন্দ—তিনি আনন্দ গুপ্ত। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন তিনি। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এই মানবিক মানুষ।

মানব সেবার অংশ হিসেবে এবার পুজোয় পৌরসভার ও ইউনিয়নে একই পরিবারে তিন জন ছেলে ও মেয়ে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে পূজার সামগ্রী উপহার দেন।

আনন্দ গুপ্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েও মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাদের দিকে। একইভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজায়ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন তিনি।

শুধু ধর্মীয় উৎসবেই নয়, শীতের সময় শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে কম্বল বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তাঁর এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।

সমাজে অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল মানুষের অভাব নেই। তবে সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা সবার মধ্যে দেখা যায় না। সেই জায়গায় আনন্দ গুপ্তের মানবিক উদ্যোগ সমাজের অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করতে পারে।

আনন্দ গুপ্ত বর্তমানে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অধিকার, উৎসব উদযাপন এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার বন্ধন দৃঢ় করতে আনন্দ গুপ্তের মতো মানুষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ঈদ কিংবা পূজা—উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিপদে-আপদে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই গড়ে উঠতে পারে মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ।

ফুলবাড়ীর মানুষের কাছে তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক—এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের। তার এই মানবিক কাজের ফুলবাড়ী মানুষের মাঝে প্রশংসায় ভাসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৫৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত আনন্দ গুপ্ত, ঈদ-পূজায় পাশে দাঁড়ান অসহায় মানুষের

আপডেট সময় : ০৩:০২:৫৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
১৫

মানবসেবাই যার ব্রত, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যার আনন্দ—তিনি আনন্দ গুপ্ত। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন তিনি। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এই মানবিক মানুষ।

মানব সেবার অংশ হিসেবে এবার পুজোয় পৌরসভার ও ইউনিয়নে একই পরিবারে তিন জন ছেলে ও মেয়ে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে পূজার সামগ্রী উপহার দেন।

আনন্দ গুপ্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েও মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাদের দিকে। একইভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজায়ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন তিনি।

শুধু ধর্মীয় উৎসবেই নয়, শীতের সময় শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে কম্বল বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তাঁর এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।

সমাজে অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল মানুষের অভাব নেই। তবে সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা সবার মধ্যে দেখা যায় না। সেই জায়গায় আনন্দ গুপ্তের মানবিক উদ্যোগ সমাজের অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করতে পারে।

আনন্দ গুপ্ত বর্তমানে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অধিকার, উৎসব উদযাপন এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার বন্ধন দৃঢ় করতে আনন্দ গুপ্তের মতো মানুষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ঈদ কিংবা পূজা—উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিপদে-আপদে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই গড়ে উঠতে পারে মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ।

ফুলবাড়ীর মানুষের কাছে তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক—এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের। তার এই মানবিক কাজের ফুলবাড়ী মানুষের মাঝে প্রশংসায় ভাসছে।