রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিবর্তনে সব দল একমত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কিভাবে হবে তা চূড়ান্ত না হলেও বর্তমান বিধান পরিবর্তনে সবাই একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
এছাড়া দ্বিকক্ষ আইনসভা নিয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। ১০০ সদস্য বিশিষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রেও একমত হয়েছে। তার মানে এই নয় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে আরও সংশ্লিষ্ট বিষয় রয়েছে, যেগুলো ঐকমত্য হলে পরে জানানো হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ শেষে বিকেলে তিনি এ কথা জানান।
টানা তৃতীয় দিনের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা শুরু করেছে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমির ‘দোয়েল মাল্টিপাস হলে’ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী রীয়াজ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
কমিশনের সদস্যদের মধ্যে আছেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, আইয়ুর মিয়া, ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, অধ্যাপক রোরহান উদ্দিন খান; জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ; সিপিবির রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের বজলুর রশীদ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ; গণফ্রন্টের টিপু বিশ্বাস; খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদের; বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক; বাংলাদেশ জাসদের মুশতাক হোসেন, এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, বিএলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আমাদের হাতে সময় এত স্বল্প, খুবই স্বল্প সময়। জুলাই মাসের মধ্যেই এটার একটা চূড়ান্ত পরিণতি জাতীয় সনদ তৈরি করতে হবে।















