1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়া চেম্বার নির্বাচনে বাদল-হিরু প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

 মোঃ আব্দুল আলীম, জেলা প্রতিনিধি, বগুড়া
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ দেড় যুগ পর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক (২০২৬-২৮) নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ‘বাদল-হিরু প্যানেল’ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। সভাপতি ও সহ-সভাপতিসহ কার্যনির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সবকটি পদেই এই প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

রোববার (৫ জুলাই) শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ ভোটগ্রহণ চলে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চেম্বারের মোট ১ হাজার ৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ৯৩০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট কাস্টের হার ৮৬ দশমিক ৩ শতাংশ। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা জটিলতা ছাড়াই ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করেন।

সবশেষ ২০০৭ সালে বগুড়া চেম্বারের সরাসরি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বিনাভোট বা সিলেকশনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই ভোটের আয়োজন করা হয়।
ভোট গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের আতিকুর রহমান বাদল। ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬৯৬ ভোট। জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সেলিম-এরশাদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী মো. সেলিম রেজা ‘ছাতা’ প্রতীকে পেয়েছেন ২২৭ ভোট। নির্বাচনে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।

সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। ‘আনারস’ মার্কায় তিনি সর্বোচ্চ ৭২৬ ভোট পেয়েছেন। সহ-সভাপতি পদের অপর বিজয়ী মো. মামদুদুর রহমান শিপন ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯১ ভোট।
কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক পদের ২২ জন প্রার্থীর মধ্যে বাদল-হিরু প্যানেলের বিজয়ী ৯ জন পরিচালক ও তাদের প্রাপ্ত ভোট হলো- শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস (ফুটবল- ৫৯৬), খন্দকার মেজবাহুল হক রন্টু (দোয়েল পাখি- ৬১২), মো. আজিজার রহমান মিল্টন (উড়োজাহাজ- ৫৭৯), শাহিনুর ইসলাম সবুজ (কাপ-পিরিচ- ৫৬৯), এস এম নূর-ই আলম সিদ্দিকী পল্লব (হরিণ- ৫৫৭), মো. রাসেদুল ইসলাম (মই- ৫৫৩), মো. শফিকুল ইসলাম খোকন (দোয়াত কলম- ৫৩২), শামসুল হক বেনু (চেয়ার- ৫১২) এবং মো. মতিউর রহমান (চশমা- ৪৬৬)।

এর আগে সকালে শহীদ টিটু মিলনায়তন চত্বরে নির্বাচনি উৎসবের আমেজ দেখা যায়। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোট দেন। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১২টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের পছন্দের নেতৃত্ব বেছে নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া চেম্বার নির্বাচনে বাদল-হিরু প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ দেড় যুগ পর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক (২০২৬-২৮) নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ‘বাদল-হিরু প্যানেল’ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। সভাপতি ও সহ-সভাপতিসহ কার্যনির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সবকটি পদেই এই প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

রোববার (৫ জুলাই) শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ ভোটগ্রহণ চলে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চেম্বারের মোট ১ হাজার ৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ৯৩০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট কাস্টের হার ৮৬ দশমিক ৩ শতাংশ। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা জটিলতা ছাড়াই ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করেন।

সবশেষ ২০০৭ সালে বগুড়া চেম্বারের সরাসরি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বিনাভোট বা সিলেকশনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই ভোটের আয়োজন করা হয়।
ভোট গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের আতিকুর রহমান বাদল। ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬৯৬ ভোট। জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সেলিম-এরশাদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী মো. সেলিম রেজা ‘ছাতা’ প্রতীকে পেয়েছেন ২২৭ ভোট। নির্বাচনে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।

সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। ‘আনারস’ মার্কায় তিনি সর্বোচ্চ ৭২৬ ভোট পেয়েছেন। সহ-সভাপতি পদের অপর বিজয়ী মো. মামদুদুর রহমান শিপন ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯১ ভোট।
কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক পদের ২২ জন প্রার্থীর মধ্যে বাদল-হিরু প্যানেলের বিজয়ী ৯ জন পরিচালক ও তাদের প্রাপ্ত ভোট হলো- শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস (ফুটবল- ৫৯৬), খন্দকার মেজবাহুল হক রন্টু (দোয়েল পাখি- ৬১২), মো. আজিজার রহমান মিল্টন (উড়োজাহাজ- ৫৭৯), শাহিনুর ইসলাম সবুজ (কাপ-পিরিচ- ৫৬৯), এস এম নূর-ই আলম সিদ্দিকী পল্লব (হরিণ- ৫৫৭), মো. রাসেদুল ইসলাম (মই- ৫৫৩), মো. শফিকুল ইসলাম খোকন (দোয়াত কলম- ৫৩২), শামসুল হক বেনু (চেয়ার- ৫১২) এবং মো. মতিউর রহমান (চশমা- ৪৬৬)।

এর আগে সকালে শহীদ টিটু মিলনায়তন চত্বরে নির্বাচনি উৎসবের আমেজ দেখা যায়। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোট দেন। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১২টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের পছন্দের নেতৃত্ব বেছে নিয়েছেন।