1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. roberttaylor1755ywts@gsasearchengineranker.com : anyapraed2271 :
  3. davidwilson2900s4d@verifiedlinklist.com : gordonhand83 :
  4. jennifermartinez5223xvyc@gsasearchengineranker.com : gustavostamper :
ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আফ্রিকার নিচে হৃদস্পন্দনের মতো কম্পন, জন্ম নিচ্ছে নতুন মহাসাগর

প্রতিনিধির নাম
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আফ্রিকার আফার অঞ্চলের নিচে চলছে এক আশ্চর্য ঘটনা—যেটি ধীরে ধীরে মহাদেশটিকে বিভক্ত করে গড়ে তুলছে এক নতুন মহাসাগর। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি যেন পৃথিবীর হৃদস্পন্দনের মতো—নিয়মিত ছন্দে গাঢ় ম্যান্টল থেকে উঠে আসছে উত্তপ্ত গলিত পদার্থ, যা ভূমিভাগে চাপ সৃষ্টি করছে।

সাউদ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক আফার অঞ্চল ও ইথিওপিয়ান রিফট থেকে ১৩০টির বেশি আগ্নেয় শিলা সংগ্রহ করে গবেষণা চালান। তারা বলেন, এই গলিত পদার্থের উপরে ওঠা চলমান টেকটোনিক প্লেটের গতির ওপর নির্ভর করে।

গবেষণার অন্যতম লেখক অধ্যাপক টম গারনন জানান, এই প্লুম (গলিত ম্যান্টলের স্তম্ভ) এমনভাবে উঠে আসছে যেন হৃদয়ের স্পন্দন। আর গবেষণার প্রধান লেখক ড. এমা ওয়াটস বলেন, আমরা দেখেছি, আফারের নিচের ম্যান্টল একরকম নয়—তা নড়াচড়া করে এবং প্রতিবার উপরে ওঠার সময় একেক রকম রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে।

এই ছন্দে ওঠা উত্তপ্ত গলিত পদার্থ ভূত্বকের ফাটলের মধ্যে দিয়ে ওপরে উঠছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে মহাদেশকে দু’ভাগে ভাগ করে দিচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলেন, কয়েক মিলিয়ন বছরের মধ্যে এই ফাটল একটি পূর্ণাঙ্গ মহাসাগরে পরিণত হবে।

গবেষণা প্রতিবেদনটি ২৫ জুন Nature Geoscience সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, পৃথিবীর অভ্যন্তরের এই পরিবর্তন ভবিষ্যতের আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প এবং মহাদেশ বিভাজনের ব্যাখ্যা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

আফ্রিকার নিচে হৃদস্পন্দনের মতো কম্পন, জন্ম নিচ্ছে নতুন মহাসাগর

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

আফ্রিকার আফার অঞ্চলের নিচে চলছে এক আশ্চর্য ঘটনা—যেটি ধীরে ধীরে মহাদেশটিকে বিভক্ত করে গড়ে তুলছে এক নতুন মহাসাগর। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি যেন পৃথিবীর হৃদস্পন্দনের মতো—নিয়মিত ছন্দে গাঢ় ম্যান্টল থেকে উঠে আসছে উত্তপ্ত গলিত পদার্থ, যা ভূমিভাগে চাপ সৃষ্টি করছে।

সাউদ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক আফার অঞ্চল ও ইথিওপিয়ান রিফট থেকে ১৩০টির বেশি আগ্নেয় শিলা সংগ্রহ করে গবেষণা চালান। তারা বলেন, এই গলিত পদার্থের উপরে ওঠা চলমান টেকটোনিক প্লেটের গতির ওপর নির্ভর করে।

গবেষণার অন্যতম লেখক অধ্যাপক টম গারনন জানান, এই প্লুম (গলিত ম্যান্টলের স্তম্ভ) এমনভাবে উঠে আসছে যেন হৃদয়ের স্পন্দন। আর গবেষণার প্রধান লেখক ড. এমা ওয়াটস বলেন, আমরা দেখেছি, আফারের নিচের ম্যান্টল একরকম নয়—তা নড়াচড়া করে এবং প্রতিবার উপরে ওঠার সময় একেক রকম রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে।

এই ছন্দে ওঠা উত্তপ্ত গলিত পদার্থ ভূত্বকের ফাটলের মধ্যে দিয়ে ওপরে উঠছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে মহাদেশকে দু’ভাগে ভাগ করে দিচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলেন, কয়েক মিলিয়ন বছরের মধ্যে এই ফাটল একটি পূর্ণাঙ্গ মহাসাগরে পরিণত হবে।

গবেষণা প্রতিবেদনটি ২৫ জুন Nature Geoscience সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, পৃথিবীর অভ্যন্তরের এই পরিবর্তন ভবিষ্যতের আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প এবং মহাদেশ বিভাজনের ব্যাখ্যা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।