বান্দরবানের লামায় গাছ টানার কাজে ব্যবহৃত হাতি ‘বাহাদুর’কে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তথ্য ও ছবির ব্যবহারে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত দুটি ছবির মধ্যে একটি বর্তমানে কক্সবাজারের ডুলহাজারা সাফারি পার্কে থাকা হাতির, অন্য ছবিটি ২০২৪ সালে মারা যাওয়া একটি হাতির বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দুটি হাতির নামই ‘বাহাদুর’ হওয়ায় এ বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বর্তমানে লামার দুর্গম এলাকায় হাতি ‘বাহাদুর’কে দিয়ে গাছ টানানো ও শ্রমে ব্যবহারের যে খবর প্রকাশ হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেছেন হাতিটির মালিক সুরুজ কোম্পানি।
মালিকের দাবি, প্রকাশিত প্রতিবেদনে বর্তমান হাতিটির সঙ্গে ২০২৪ সালে মারা যাওয়া হাতির ছবি ব্যবহার করায় প্রকৃত ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হাতি-সংক্রান্ত একটি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাতিটি বর্তমানে কক্সবাজারের ডুলহাজারা সাফারি পার্কে রয়েছে।
ফলে লামায় বর্তমানে হাতি ‘বাহাদুর’কে দিয়ে গাছ টানানো হচ্ছে—এমন দাবির সত্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই নামে দুটি হাতির তথ্য ও পৃথক সময়ে ব্যবহৃত ছবির কারণে প্রকাশিত সংবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে কি না, তা যাচাই করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।