উয়েফা ও কনকাকাফ ফিফার নিজস্ব তহবিল থেকে ২১১ কোটি ডলার সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে পাবে। সে হিসাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) পেতে পারে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।
বিবিসি স্পোর্টস জানিয়েছে, উয়েফা ও কনকাকাফের যৌথ চিঠিটি তাদের হাতে এসেছে। চিঠিতে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফারিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানির স্বাক্ষর রয়েছে।
২০২৭-৩০ চক্রে অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থ
যৌথ চিঠিতে ২০২৭-২০৩০ চক্রে ফিফার অর্থ বণ্টনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই অর্থ ফুটবলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩-২০২৬ চক্র শেষে ফিফার তহবিলে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার জমা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৩ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা। ২০৩০ সালের পুরুষদের বিশ্বকাপ পর্যন্ত হিসাব করলে এই অর্থ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইনফান্তিনোর ওপর চাপ
এদিকে বিশ্বকাপের মালিকানা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর জুলাইয়ে তিনি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২০ শতাংশ মালিকানা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সমালোচনার মুখে পরে তিনি ওই প্রস্তাব থেকে সরে আসেন এবং ক্ষমাও চান।
এরপর ফিফার কয়েকটি সদস্য সংস্থা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে। কেউ কেউ তাঁর পদত্যাগের দাবিও জানায়। এর আগে উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসি যৌথ চিঠিতে ফুটবল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় বলে উল্লেখ করেছিল।
আগামী মার্চে চতুর্থবারের মতো ফিফা সভাপতি নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ফিফার সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনের আগে অর্থ বণ্টন ও ফিফার পরিচালনা নিয়ে সদস্য সংস্থাগুলোর চাপের মধ্যে রয়েছেন তিনি।