খুলনার স্বাস্থ্য খাতে ডা. আবু জাফর মো. ছালেহ ওরফে ডা. পলাশের প্রভাব ও ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রভাব বিস্তার এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ও বিএনপির এক শীর্ষ নেতার নাম ব্যবহার করে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ডা. আবু জাফর মো. ছালেহ খুলনা মেডিকেল কলেজের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি ড্যাবের খুলনা মেডিকেল কলেজ শাখার স্থগিত হওয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া গত ৯ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্ব পান তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডা. পলাশের প্রভাব রয়েছে। তাঁর সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করা কঠিন বলে অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। এ ছাড়া খুলনার একজন শীর্ষ বিএনপি নেতার নাম ব্যবহার করে তিনি নিজের প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার করছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য খাতে আলোচনা রয়েছে।
রোগীদের হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের হয়রানি এবং আর্থিক ক্ষতির শিকার হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ডা. পলাশকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেটের কারণে রোগীদের বিভিন্নভাবে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে ডা. আবু জাফর মো. ছালেহের বক্তব্যও জানা প্রয়োজন।