পুলিশ-পিবিআইয়ের তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা, বাদীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে। বালিয়াডাঙ্গীতে ধর্ষণ মামলায় বাদীর করা অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ার দাবি তদন্ত প্রতিবেদনে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থার (পিবিআই) অধিকতর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ার পর মামলার বাদী মোছা. লাবলী আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল হামিদ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার উত্তর পাড়িয়া (নিটালডোবা) গ্রামের লাবলী আক্তার (২৮) একই এলাকার মো. সাদ্দাম হোসেনের (৩২) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেয়। এরপর বাদী ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই, ঠাকুরগাঁও।
অধিকতর তদন্ত শেষে পিবিআইও অভিযোগটি বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত মো. সাদ্দাম হোসেনকে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে বাদী লাবলী আক্তারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১৭(১) ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর রোববার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন লাবলী আক্তার। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।