খাগড়াছড়িতে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদের উদ্যোগ গ্রহণকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন সচেতন মহলের অনেকে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা ও প্রতিবাদ শুধু জেলা সদরে সীমাবদ্ধ না রেখে জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বলা হয়েছে, একজন দিনমজুর সারাদিন শ্রম দিয়ে নিজের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেন। তাঁর কষ্টার্জিত অর্থ জোরপূর্বক আদায় করে নেওয়ার কোনো বৈধতা থাকতে পারে না। সাধারণ মানুষের শ্রম ও উপার্জনের ওপর অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের প্রবণতা বন্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
চাঁদাবাজিকে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বৈধ অধিকার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মত প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, শ্রমের মর্যাদা ও কষ্টার্জিত অর্থের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ির প্রতিটি প্রান্ত থেকে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে স্পষ্ট ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে—চাঁদাবাজি বন্ধ হোক, সাধারণ মানুষের শ্রমের মর্যাদা রক্ষা হোক।