চরভদ্রাসন কৃত্রিম সার সংকট, বিক্রি শিরোনামে দৈনিক দেশের কন্ঠ পত্রিকা সহ বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হওয়ায় চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভ ৭ই অক্টোবর সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকায় চরহাজিগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। সার সংকট নিয়ে লেখালেখি হলে প্রশাসন সেদিকে উদাসীন। একটি কাপড়ের দোকান ১০০০টাকা অন্যটি ভুসিমালের দোকানে ১০০০ টাকা জরিমানা করেন। সারের অনিয়মের ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নানেওয়ায় প্রশাসনে কর্মকাণ্ড প্রশ্ন তুলছে।
দুটি সারের দোকানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। কৃত্রিম সার সংকট শিরোনামে বিভিন্ন জাতীয় পত্র -পত্রিকায় লেখালেখি হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে ভুক্তভোগী অধিক মূল্য সার ক্রয় কৃতরা।
বিজয় দাসের দোকানে অধিক মূল্য সার বিক্রির অভিযোগ তুলছে অনেকেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তসাপেক্ষে জানিয়েছে, খুব সকালে এবং অধিক রাত্রে সার বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভ হাজীগঞ্জ বাজার বিভিন্ন দোকানে মোবাইল কোট’ পরিচালনার সময় ট্রলারযোগে অর্ধশতাধিক সার অধিক মূল্য বিক্রি করে নিয়ে যাচ্ছে। সেই সারটা কি কালোবাজারি না বৈধ সার। টাকার বিনিময়ে ক্ষেত্র বিশেষ ৫০০/৭০০ টাকার অধিক মূল্য সার কিনছে অনেকই জানিয়েছে। এরা হর হামেশাই বিক্রি করে চলছে। প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে কোন কিছু করতে সাহস পাচ্ছে না।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচলনায় দুটি সারের দোকানে বিক্রয়- উত্তোলনের রেজিস্টার খাতার সঠিক তথ্য দিতে পারেনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিএ উজ্জল হোসেন।
এদিকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভ কে এ প্রতিবেদক কৃত্রিম সার সংকট প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্ন তুললে সঠিক উত্তর দিতে পারেনি।
যেসব প্রতিবেদক লেখালেখি করছে তাদেরকে কেন অবহিত করেনি এরও কোন উত্তর দেন নি।
দেখা গেছে কৃত্রিম সার সংকট নিয়ে লেখালেখি হয় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কাপড় দোকান এবং ভুসিমালের দোকানে। এটাকে হাস্যকর মনে করছে অনেকেই।
গতবছর বিজয় দাসের উপর এমন একটি অভিযোগ দায়ের হলেও সেটি কি অন্যদিকে ঘুরিয়ে ছে।বরং অভিযোগকারী কেই হেনস্তার শিকার হয়েছে।
এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার ইমরান বিন ইসলাম ঢিলেঢালা মনোভাবে সার ডিলাররা অধিক মূল্য সার বিক্রি করছে এমন প্রশ্নে সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। অনেকই দাবি করছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসিক মোটা অংকের অর্থের বিনিময় এসব কাজ করছে এমন প্রশ্নে তিনি জানান ডিলারদের সাথে কোন লেনদেন হয়নি। তাহলে সারের ডিলাররা অধিক মূল্য সার কিভাবে বিক্রি করছে এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তদারকির অভাব এর কোন সঠিক উত্তর দিতে পারিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভ কে মুঠোফোনে একাধিক ফোন দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।