এক মাসের ছুটি কাটিয়ে স্ত্রী সহ সন্তানদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সৌদি আরবে ফিরেছিলেন শাহেদ আহমেদ আশিক। এবারের যাত্রাই হলো পরিবারের সঙ্গে তাঁর শেষ বিদায়!
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাঁর মৃত্যুর খবরে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা পশ্চিমপাড়ার বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বামীকে হারিয়ে স্ত্রী, বাবাকে হারিয়ে দুই শিশুসন্তান এবং সন্তানকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন স্বজনেরা।
প্রায় দুই বছর আগে প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে যান শাহেদ। তাঁর বাবা রফিকুল ইসলাম প্রায় ২৭ বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে চাকরি করছেন। তিন মাস আগে তাঁর মা-ও ওমরাহ হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।
নিহত শাহেদ আহমেদ আশিক বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ১০ অক্টোবর সকাল ৯টায় সৌদি আরবের উদ্দেশে বিমানে ওঠেন তিনি। এর আগের দিন, ৯ অক্টোবর বগুড়া শাজাহানপুর বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে যাত্রার প্রস্তুতি নেন। প্রায় এক মাস বাড়িতে ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি। অথচ সেই ফেরা আর হলো না।
পরিবারের লোকজন জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে যান শাহেদ। তাঁর বাবা রফিকুল ইসলাম প্রায় ২৭ বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে চাকরি করছেন। তিন মাস আগে তাঁর মা-ও ওমরাহ হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।
গ্রামের বাড়িতে শাহেদের স্ত্রী ও ১১ বছর এবং ৬ বছর বয়সী দুই ছেলে রয়েছে। স্বামীকে হারিয়ে স্ত্রী যেমন দিশেহারা, তেমনি বাবার মৃত্যুর খবর দুই শিশুর জীবনে ডেকে এনেছে অপূরণীয় শূন্যতা।
এক মাসের ছুটি কাটিয়ে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরা শাহেদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু খবর সৌদি আরব থেকেও অনলাইনে মাধ্যমে বাবা মার কাছে খবর পৌছান বাংলাদেশের স্বজনেরা।