নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডীবরপুর ইউনিয়নের পাইকমারী গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে এক অসহায় ভ্যানচালকের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই তার পরিবারের। আগুনে পুড়ে পুরো নিঃশ্ব এখন ওই পরিবারটি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ১ টার দিকে পাইকমারী গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে ভ্যানচালক শিমুল মোল্লার বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে যানাযায়, হঠাৎ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের লোকজন কোনো রকমে প্রাণে বাঁচলেও ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড়, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুন দেখে ওই পরিবারের লোকজনের চিৎকার চেচামেচি শশুনে আসেপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয়নি।

খবর দেওয়া হলে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। এবং স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করেছেন। ততক্ষণে বাড়ির মালামালসহ গোটা বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয়রা ও ক্ষতিগ্রস্ত ভ্যানচালক শিমুল মোল্লা বলেন, ভ্যান চালিয়ে যা আয় করি তা দিয়েই সংসার চলে। ঘরের সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে আছি।

এ ঘটনায় প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

নড়াইল ফায়ার স্টেশনের উপসহকারী মোঃ শওকাত আলী জোদ্দার হোসেন বলেন, তার টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই সব পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। বাড়ির সব কিছু পুড়ে গেছে অবশিষ্ট কিছু নেই। বৈদ্যুতিক মিটার থেকে শর্টসার্কিট হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এ বিষয়ে চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান কে জানানো হয়েছে। অসহায় পরিবারটি এখন সমাজের বিত্তবান ও প্রশাসনের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে।