চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডসহ সারাদেশের মতন বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার প্রায় প্রস্তুতি শেষের আজ শুক্রবার ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু দুর্গাপূজা দুর্গাষষ্ঠী,দেবীর মূল প্রতিমায় আজ থেকে পূজা হবে।
এবং আগামী বুধবার ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমিতে বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এ হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা উৎসবটি।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী শনিবার রবিবার এই দুইদিন জুড়ে মহা সপ্তমী তিথি থাকায় পরের দিন থেকে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এই মহাসপ্তামীতে মহা উৎসব ও আনুষ্ঠানিকতা পালন
করা হবে কেটে দেবীর বিভিন্ন রূপে প্রতীক হিসেবে নয়টি উদ্ভিদকে স্নান করিয়ে পূজা করা হয়।
সোমবার উদযাপিত হবে মহাঅষ্টমী যার বিষয়ে আকর্ষণ হল সন্ধিপূজা, যা অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে, আনুষ্ঠানিক হয়। পরদিন মহানবমী তে বিদায়েরা শেষ ধাপের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং দিবীকে ভোগ নিবেদন করা হবে।
উৎসবের শেষ দিনে ভক্তারা দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবে এবং প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সহকারে নির্ধারিত যে কোন নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নিয়ে যাবে, এবং পঞ্জিকা মাঠে জগতের মঙ্গল কামনা এবার দেবী দুর্গা ঘোড়া আগমনের স্বর্গলোক থেকে, মধ্যে আগমন করবেন, এবং শেষে দেবী নৌকায় করে স্বর্গ লোকে আগমন করবেন,এমনটি জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড, মুরাদপুর ইউনিয়নের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের, শ্রী রাধা কৃষ্ণের মন্দিরের পন্ডিতমশাই।
এবার দুর্গাপূজা শুক্র শনিবারে সাথে এই বর্ধিত পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া চলছে বলে জানা যায়, সীতাকুন্ড পূজা উৎসব পরিষদের সভাপতি অমলধর কনক,বলেন, আমাদের এই দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার উৎসাহিত ও সহযোগিতা এবং তাদের প্রত্যেক নেতাকর্মীরা আমাদের এই পূজা মন্ডপে পরিদর্শন এবং আমাদেরকে সহযোগিতা করেন, এবং তারাই পূজা কমিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রী কে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরো বলেন মন্দিরে মন্ডপ গুলো পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ব্যস্ত সময় ছিলেন আমাদের পূজা কমিটির সদস্যরা, কুমারী সদস্যরা বলেন প্রতিমা স্থাপন আলো সজ্জা, ধর্মীয় ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান আজকে আমাদের এই দুর্গাপূজা মন্ডবে প্রস্তুতি হয়েছে।, এ বিষয়ে পন্ডিত মশাই বলেন দেবী দুর্গার বাধা বিঘ্ন ভয় দুঃখ শোখ জ্বালা, ও যন্ত্রণা এসব থেকে ভক্তদের রক্ষা করে।
দর্শনান রাবণের সঙ্গে যুদ্ধ রতন বাপের বিনাশের লক্ষ্য দেবী, অদ্যশক্তি মহামায়া কাছে শক্তি বৃদ্ধির আশায় শরৎকালে তার পূজা করেছিলে, এবং যুদ্ধে জয়লাভ করে দেবী জয়লাভ সীতাকে উদ্ধার ও রাবনকে হত্যা করতে সক্ষম হন রামচন্দ্র। সেই থেকে পৃথিবীতে প্রতিবছর শরৎকালের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুর্গাপূজা পালন করে আসছেন বলে জানান পন্ডিত মশাইরা।
এবং এ দূর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মন্ডপের পুলিশ আনসার, বিজিবি, র্যাবসহ শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর দায়িত্ব পালন করবেন।