সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২নং গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলীকে ঘিরে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে আব্দুল মালেক।

আবেদনে চেয়ারম্যান মো. শওকত আলীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো, ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান পূর্বে স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রভাব কাজে লাগিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছেন।
এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তাঁর উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবসা বা আয়ের উৎস ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, সরকারি অনুদান ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবাখাতে অনিয়মের মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

আবেদনটির অনুলিপি সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগের ব্যাপারে গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী বলেন, “এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক ) মতিউর রহমান খান বলেন,” স্হানীয় শাখা থেকে আমরা তদন্ত করাবো। তদন্তের পর যদি ব্যবস্হা গ্রহণের বিষয় থাকে, তাহলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে”।