নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সীমের ক্ষেতে মৃত অবস্থায় মোঃ সাহেদ (১৬) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (২১ অক্টোবর)দুপুরে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের একটি সীমের ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মোঃ সাহেদ মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চর নোমান এলাকার মোঃ খলিলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে নাস্তা করে স্থানীয় দুলার মেস্তুরীর ছেলে মনিরের জমিতে সীমের ক্ষেতে কাজ করতে যায় সাহেদ। পরে বেলা ১১টার দিকে জমির মালিক মনির (৩০) ক্ষেতের পানিতে তাকে ভাসতে দেখেন। এ সময় তিনি চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে সাহেদকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে স্থানীয় এক গ্রাম্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাহেদের মামা জাকের হোসেন জানান, সাহেদের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তার মুখে লালা ছিল। সকালে নাস্তা করে সে সীমের ক্ষেতে কাজ করতে গিয়েছিল।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, কারও সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ বা ঝগড়া নেই। সাহেদের শরীরেও কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাননি তারা। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুর আলম জানান, তিনি ঘটনাটি জানতে পেরেছেন। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
এদিকে, অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পানিতে পড়ে সাহেদের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে এ ধারণার পক্ষে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
এ ঘটনায় বক্তব্য জানতে জুয়েল সওদাগরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ছনখোলা পুলিশ ক্যাম্পের এস আই মোঃ আলী জানান- আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কিন্তু মরদেহের শরীরে কোনো চিহ্ন দেখি নাই। যদি তার পরিবার অভিযোগ করে আমরা তদন্ত করে জানতে পারবো।তবে তার পরিবারের ধারনা সে স্ট্রোক করছে।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে তারা ঘটনাটি জানতে পেরেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে।