মাদারীপুরের কালকিনিতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা এবং হামলা ও চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার(২১ অক্টোবর) সকালে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের একটি বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রেজাউল হাওলাদারের সাথে তার চাচাতো ভাই ইকবাল হাওলাদারের দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে বিভিন্ন সময় রেজাউল একাধিক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে কোনঠাসা করে রেখেছে। গত সোমবার রাতে ইকবাল হাওলাদারের বোন মহরজান রেজাউলের বাড়ির ভাড়াটিয়া ডাঃ জাহিদের বাসা হতে বের হওয়ার সময় রেজাউল ও তার পরিবার তাকে আটকে রাখে।পরবর্তীতে মহরজানের পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করতে গেলে রেজাউল ও তার পরিবারের লোকজনের সাথে ইকবাল হাওলাদারের পরিবারের লোকজনের হাতাহাতি হয়। এঘটনায় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়।
পরবর্তীতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রেজাউল হাওলাদার পূর্ব শত্রুতার জের টেনে স্থানীয় বিএনপি নেতা শহিদ খান,সাবেক সেনা সদস্য সাইদুর রহমান খান,সাবেক সেনা সদস্য চুন্নু ফকিরকে দোষারোপ করে সংবাদ সম্মেলন ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলা ও বানায়োট সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে আজ সকালে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান।

এ বিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ জহিরুল আলম জানান,”দোকান নিয়ে রেজাউল হাওলাদার ও সাইদুর রহমানের বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মিমাংসার উদ্দেশ্যে পূজার পরে উভয়পক্ষকে বসার কথা বলা হয়েছিল। এরপূর্বেই উভয়পক্ষে পুনরায় দ্বন্দে জড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত স্বাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।