রাজশাহী মহানগরীকে অবৈধ দখলমুক্ত করে নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। ফুটপাত দখলমুক্ত করার চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বেশ কিছু এলাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজারস্থ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
চলমান উচ্ছেদ অভিযান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসন ভাবনা ।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
চলমান উচ্ছেদ অভিযান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
রাসিক প্রশাসক জানান, নাগরিকদের চলাচলের পথ সুগম করতে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ভদ্রা, মহিলা কলেজ রোড এবং মেডিকেলের সামনের একাংশে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। খুব দ্রুতই লক্ষ্মীপুর, জিরোপয়েন্ট,ঌ সোনাদিঘি মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়াসহ অন্যান্য ব্যস্ত এলাকার ফুটপাতগুলোও দখলমুক্ত করা হবে। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসন ভাবনা ।
উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের জীবনজীবিকার কথা মাথায় রেখে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা চলছে।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক সাহেব বাজার কাঁচা বাজার, মাছপট্টি, মাংসপট্টি, কসাইখানা এবং মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত বিভিন্ন পরিত্যক্ত দোকান ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে সাহেব বাজার কাঁচাবাজার ও মাছপট্টির দ্বিতীয় তলায় অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা ৮৯টি দোকান পরিদর্শন করে তিনি জানান, এসব দোকান ও সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সেগুলোকে কার্যকরভাবে ব্যবহার উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। মার্কেটটি নতুনভাবে নির্মাণ কিংবা আধুনিকায়ন করা যায় কি না, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।