বাংলার লোককথা, ভূতের গল্প ও লোকজ সংস্কৃতিকে ভিন্ন আঙ্গিকে মঞ্চে তুলে ধরতে আসছে নাটক ‘ইনভিজিবল স্টোরিজ’। সমকালীন থিয়েটারের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী গল্প বলার কৌশলের মেলবন্ধনে তৈরি এই নাটক মঞ্চস্থ হবে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে।

আগামী ৬ ও ৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে নাটকটির প্রদর্শনী হবে। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা, কম্পানি গ্রেইন দ্য ভি এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে নির্মিত হয়েছে ‘ইনভিজিবল স্টোরিজ’।

নাটকটিতে বডি পাপেট্রি, সরাসরি সংগীত পরিবেশনা ও কল্পনাপ্রবণ নাট্যশৈলীর মাধ্যমে বাংলার ভূতের গল্প এবং লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর নির্দেশনা দিয়েছেন ফরাসি পাপেটশিল্পী লরি কানাক। অভিনয় করবেন লরি কানাক ও স্বাতী ভদ্র। তাদের সঙ্গে সরাসরি সংগীত পরিবেশনায় থাকবে নোনাভূমি অর্গানাইজেশন। নাটকটির কোরিওগ্রাফি করেছেন মো. ফরহাদ আহমেদ।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, ঢাকার দৈনন্দিন জীবনে ভূতের প্রভাব অনুসন্ধানে নেমেছেন দুই বিজ্ঞানী। একপর্যায়ে তারা জড়িয়ে পড়েন এক বিস্ময়কর অভিযাত্রায়। সেই যাত্রায় মানবজগৎ ও অতিপ্রাকৃত জগতের মধ্যকার সীমারেখা ক্রমেই অস্পষ্ট হয়ে আসে। নগরজীবনের পরিচিত পরিবেশ পেরিয়ে তারা পৌঁছে যান সুন্দরবনের রহস্যময় বনভূমিতে। সেখানে মানুষ, প্রকৃতি ও জীবনকে প্রভাবিত করা অদৃশ্য শক্তির নানা যোগসূত্র উন্মোচিত হয়।
বাংলার ভূতের গল্পের মধ্য দিয়ে নাটকটিতে ঢাকাকে উপস্থাপন করা হয়েছে এক পরাবাস্তব মহানগরী হিসেবে। যানজটের দুর্ভোগ, দ্রুত নগরায়ণ ও পরিবর্তনের মতো পরিচিত নাগরিক বাস্তবতাগুলোও এখানে পেয়েছে অতিপ্রাকৃত ব্যাখ্যা।