বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদ উদ্দিন সরকার, সভাপতি, সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও চেয়ারম্যান, সাবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শ্রী অতুল চন্দ্র দাস এবং আবু সালেহ নয়ন, সভাপতি, সাবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও সাবেক চেয়ারম্যান, সাবগ্রাম ইউপি।
এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাইরুল ইসলাম রকি, দপ্তর সম্পাদক, ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সভাপতি, মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া; আতাউর রহমান সরকার, সভাপতি, চাঁদপাড়া ঈদগাহ মাঠ; সাইদুল কবির সাজু, সাধারণ সম্পাদক, সাবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি।
অনুষ্ঠানটি সফলভাবে আয়োজন করেছে সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উক্ত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া হলো শিক্ষা নগরী। এই বগুড়ায় আশপাশে অনেক জেলা থেকে ছাত্র-ছাত্রী এসে পড়ালেখা করছে। সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯০% রেজাল্ট হয়েছে, এর চেয়ে আরও ভালো রেজাল্ট করতে হবে।
শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে যোগ্য, দক্ষ ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না। পাশাপাশি মানবিকতা, সততা ও দেশপ্রেমের শিক্ষাও গ্রহণ করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্তানদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষা ও সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব অভিভাবকদেরও নিতে হবে। শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আগামী ১ বছরের মধ্যে সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সাইন্স ল্যাবরেটরি একাডেমী ভবন নির্মাণের প্রস্তাব করেন। স্কুলের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করার কথা বলেন তিনি।
তিনি এলাকাবাসীদের বলেন, এই জেলা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জেলা, এই জেলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অবহেলিত হয়েছিল বগুড়া। আজকে আমাদের সুযোগ হয়েছে আপনাদের সন্তানদের জন্য কাজ করার। আমরা ১৭ বছরে যা পাইনি তা আজকে পেতে চাই।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন, অবহেলিত বঞ্চিত বগুড়া শহরকে সমান্তরাল কাতারে নিয়ে আসার জন্য।
আপনারা শুনেছেন বগুড়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় হবে। আমরা চেষ্টা করছি বগুড়া শহরতলী এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে। বগুড়ায় শিল্প পার্ক হবে, আধুনিক ও ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট হবে। বিএনপি যখন থাকে তখন উন্নয়ন হয়, বিএনপি যখন থাকে না তখন উন্নয়ন হয় না।