দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে যায়। নির্ধারিত সময়ে রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ শেষে তিনি শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত আসনে বসেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
বঙ্গভবনে জমকালো আয়োজন
রাষ্ট্রপতির শপথকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে ছিল আনুষ্ঠানিক পরিবেশ। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিচারপতি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শপথ গ্রহণের পুরো আয়োজন বঙ্গভবনের নির্ধারিত প্রটোকল অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ
শপথ ও শপথ বইয়ে স্বাক্ষরের মাধ্যমে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ব্যবস্থায় নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হলো।
রাষ্ট্রপতি পদটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদগুলোর একটি। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক ভূমিকা রাখেন।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান। বঙ্গভবনের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া।