নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ৯ নং চেরাগপুর ইউনিয়ানে চৌমাসিয়া মোড়ের আগে ধনজইল রোডের মাথায় আশিক কোল্ড স্টোরেজের সামনে সরকারি গাছের ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে।

গাছের মাথা কেটে দেওয়ার পাশাপাশি গাছে বিষাক্ত কোনো পদার্থ ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের সম্পদ ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সরকারি গাছগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

২৮ আগস্ট শুক্রবার বিকেল চারটায় ঘটনাস্থলে গাছের তথ্য সংগ্রহ ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ধারণ করতে গেলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন সাংবাদিকরা।

এ সময় ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজও ধারণ করা হয় এবং স্থানীয়দের বক্তব্য নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আশিক কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার মামুনের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন ।

একপর্যায়ে সাংবাদিককে আটক করে রেখে চাঁদাবাজ হিসেবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেরেনিয়ে ধারণ করা সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজ ডিলিট করে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মোবাইল ফোনটি সহ সাংবাদিককে উদ্ধার করে।

পরবর্তীতে প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়ায় মোবাইল ফোন থেকে মুছে ফেলা ভিডিও ফুটেজ পুনরুদ্ধার করে সম্পূর্ণ ফুটেজ ফেরত পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি গাছের এমন ক্ষতি পরিবেশের পাশাপাশি সরকারি সম্পদেরও ক্ষতি করছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ এবং তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার ঘটনায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ তদন্ত, গাছের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং সাংবাদিককে আটক ও ভিডিও ফুটেজ মুছে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
তবে এসব বিষয়ে আশিক কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।