শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস,প্রতিভা অন্বেষন
তৃণমূলের প্রতিভা থেকে আগামীর চ্যাম্পিয়ন
ডেস্ক : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ
শিশু – কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। সকলের অবগতির জন্য এব্যাপারে বিস্তারিত অবগত করা হল।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর মাধ্যমে আমরা তৃণমূল পর্যায়ের ১২-১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ করছি এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের অনন্য বিকাশের জন্য এক টেকসই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছি।
৪টি স্তর:
উপজেলা, জেলা, অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিভা অন্বেষণ :
তৃণমূলের শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সুযোগ।
৮টি ইভেন্ট :
ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, কারাতে এবং সাঁতার—এই জনপ্রিয় ৮টি খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ।।
বয়সসীমা :
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম।
পরিচিতিঃ (নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন)
দক্ষ ক্রীড়াবিদ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ার অঙ্গীকার
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষে তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার এক অনন্য উদ্যোগ।
১২-১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করাই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর মূল উদ্দেশ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর, আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে এটি তাদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে সহায়তা করে।
প্রতিভা অন্বেষণ :
তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়
মূল উদ্দেশ্য :
তৃণমূল থেকে দক্ষ ক্রীড়াবিদ অন্বেষণ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা।
বয়স ও যোগ্যতা :
১২-১৪ বছর বয়সী নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ও ছবি জমা দিয়ে অংশ নিতে পারবে।
প্রতিযোগিতার ধাপ:
উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে জেলা, অঞ্চল এবং জাতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
সুযোগ-সুবিধা :
বিজয়ী খেলোয়াড়দের জন্য থাকছে সনদপত্র, মেডেল, ট্রফি এবং বিকেএসপিতে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার।
প্রতিযোগিতার ইভেন্টসমূহ :
মোট ৮টি ইভেন্টে ছেলে ও মেয়েরা পৃথকভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ইভেন্ট সমুহঃ
ফুটবল : মাঠের মাপ: ৮৩মি. x ৫১মি. ১৮ জন খেলোয়াড়, ১ জন কোচ ও ১ জন ম্যানেজার নিয়ে গঠিত দল ৭০ মিনিটের ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে।
ক্রিকেট (টি -১০): ১০ ওভারের ম্যাচ, সাদা পোশাকে লাল বলের খেলা। একজন বোলার সর্বোচ্চ ২ ওভার বল করতে পারবেন।
কাবাডি : মাঠ: ১১মি. x ৮মি. ৩০ মিনিটের শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই। দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট অর্জনের চ্যালেঞ্জ।
অ্যাথলেটিক্স : ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার দৌড় এবং লং জাম্প প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রুততম কিশোর-কিশোরী নির্বাচন।
ব্যাডমিন্টন : একক ও দ্বৈত ২১ পয়েন্টের ৩টি সেটে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গতি ও কৌশলের এক অনন্য সংমিশ্রণ।
দাবা : বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই সুইস লিগ বা রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে দাবা প্রতিযোগিতায় মেধা ও বুদ্ধির শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনের সুযোগ।
কারাতে : আত্মরক্ষা ও কৌশল ব্যক্তিগত কাতা ও কুমিতে ইভেন্টে শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রদর্শনের দারুণ প্ল্যাটফর্ম।
সাঁতার : জলীয় গতি মুক্ত সাঁতার (Free Style) প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের গতি ও স্ট্যামিনা যাচাই করা হবে।
অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
রেজিস্ট্রেশনের সময় নিচের কাগজপত্রের সঠিক কপি নিশ্চিত করতে হবে:
অনলাইন ভেরিফাইড জন্মনিবন্ধন সনদ (১২-১৪ বছর)
PEC/সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র বা সনদ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র
অভিভাবকের সম্মতিপত্র ও NID কার্ডের কপি
অন্যান্য ইভেন্ট :
মার্শাল আর্ট (কারাতে)দলগত ইভেন্টব্যক্তিগত ইভেন্টকিশোর ইভেন্টকিশোরী ইভেন্ট
একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ২ টি ইভেন্টে অংশ নিতে পারবে।
প্রতিযোগিতার ধাপসমূহ
তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ৪টি স্তরে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে
১. উপজেলা পর্যায়
প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপ শুরু হবে উপজেলা পর্যায় থেকে। এখানে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
২. জেলা পর্যায়
উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ী খেলোয়াড় ও দলগুলো জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হবে।
৩. আঞ্চলিক পর্যায়
পুরো দেশকে ১০টি অঞ্চলে (Region) ভাগ করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের সেরারা নিজ নিজ অঞ্চলের হয়ে লড়াই করবে।
৪. জাতীয় পর্যায় :
আঞ্চলিক পর্যায়ের বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সেরা চ্যাম্পিয়ন বাছাই করা হবে।
১০টি অঞ্চল বিভাজন :
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও বিশেষ অঞ্চল নিয়ে মোট ১০টি ভেন্যুতে খেলা হবে।
উচ্চতর প্রশিক্ষণ :
জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী ও মেধাবী খেলোয়াড়দের বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ দেওয়া হবে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সম্পর্কে সাধারণ কিছু তথ্যঃ
০১. নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বয়স প্রমাণের জন্য অনলাইন ভেরিফাইড জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক।
০২. একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ২ (দুই) টি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে দলগত ইভেন্টের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মাবলি প্রযোজ্য হবে।
০৩. আবেদনের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং অভিভাবকের সম্মতিপত্র প্রয়োজন হবে।
০৪. প্রতিযোগিতাটি মোট ৪টি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে: ১. উপজেলা পর্যায়, ২. জেলা পর্যায়, ৩. আঞ্চলিক পর্যায় এবং ৪. জাতীয় পর্যায়।
০৫. বিজয়ীদের জন্য মেডেল, ট্রফি এবং সনদপত্র থাকবে। এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং ভর্তির সুযোগ প্রদান করা হবে।
আবেদন শুরু ১২ এপ্রিল – ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত
https://ds.trainingbd.com/






















