1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের প্রভাব খাঁটিয়ে নিরীহ ব্যক্তির জায়গা জবর দখলের চেষ্টা!

স্টাফ রিপোর্টার
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫

প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায়ই অন্য লোকজনের স্থাবর সম্পত্তি জোর পূর্বক বা চাতুরী পন্থায় দখল করে বা দখল করার চেষ্টা করে। এরেই ধারাবাহিকতায় ভুয়া দলিল সৃষ্টি করে, একটি প্রভাবশালী মহল চৌদ্দগ্রামে এক নিরীহ পরিবারের জায়গা বেদখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এলাকার একটি স্বর্ণ চোরাচালানি চক্র জামায়াতের কতেক নেতার সহযোগিতায় স্থানীয় এমপির প্রভাব খাঁটিয়ে প্রায় ১১০৬ শতক সম্পত্তি জোর পূর্বক বেদখের পদক্ষেপ নেয়। এঘটনার সাথে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য পাওয়া গেছে। নিরুপায় জায়গার মালিক বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে গত ১২ অক্টোবর ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারা বিধান মতে একটি মামলা দায়ের করে (যাহার স্বারক নং ৫৫৯)। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া মামলাটি আমলে নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য, সহকারী কমিশনার ভূমি চৌদ্দগ্রামকে নির্দেশ দেয়। একই আদেশে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে বিরোধীয় ভূমিতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে শান্তি- শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।
জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিষভাগ গ্রামের মরহুম জমির উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া গংরা দাদা চাঁন কাজীর ওয়ারিশ সূত্রে ১৮ নাম্বার সিএস খতিয়ানের ১৭২ নাম্বার দাগের প্রায় ১০ কানি সম্পত্তি মালিক বলে দাবী করে আসছে। মুন্সীরহাট ইউনিয়নের কনকপুর গ্রামের মৃত ওহাব মিয়ার ছেলে চোরাকারবাবী পেয়ার আহমেদ এবং পেয়ার আহমেদের ছেলে মনির হোসেন, কবির হোসেন, জাকির হোসেন, কামাল হোসেন, জামাল হোসেন ও জালাল হোসেন গংরা বিভিন্ন জাল দলিল সৃষ্টি করে, বাচ্চু মিয়া গংদের সম্পত্তি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জবর দখলের পায়তারা করে আসছে. সূত্র জানায়, বিষভাগ গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে নূর হোসেন, বাচ্চু মিয়া, আলকাছ মিয়া, ও ফরিদ মিয়া কুমিল্লার যুগ্ম জেলা জজ তৃতীয় আদালতে বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করলে- ২০২০ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর উক্ত আদালত বাচ্চু মিয়া গংদের পক্ষে রায় প্রদান করে। গত ২২ শে মে ১৯৯৫ সালে বাচ্চু মিয়া গংদের প্রতিপক্ষ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে চাঁন কাজীর রেকর্ডীয় সিএস খতিয়ানের বিরুদ্ধে ৩০ ধারা একটি মোকদ্দমা দায়ের করলে, উক্ত আদালত বাদীকে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা করার জন্য পরামর্শ দেয়।
অপরদিকে, ১৯৯৮ সালে চৌদ্দগ্রাম সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বাচ্চু মিয়ার ভাই নুর হোসেন বাদী হয়ে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে (যাহার নং ১৮)। ২০০৭ সালের ২৩ শে অক্টোবর নূর হোসেনের পক্ষে উক্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার রায় প্রদান করে (যাহার আদেশ নং ৫৬)। সূত্র আরো জানায়, বাচ্চু মিয়া গংদের দায়ের করা মামলায় ভুয়া দলিল সৃষ্টিকারী প্রতিপক্ষের ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখের সাফ কবলা দলিল নাম্বার ৫৪, একই বছরে জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখে সাফ কবলা দলিল নাম্বার ৩০৪, একই বছরের জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখে সাফ কবলা দলিল নাম্বার ৩০৫ সহ মোট ৩টি দলিল বাতিল করে, ১১০৬ শতক জমি বাচ্চু মিয়া গংদের পক্ষে রায় ঘোষণা করে।
সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়রা জানায়, বিষভাগ গ্রামের বাচ্চু মিয়া গংদের মালিকানাধীন ১১০৬ শতক সম্পত্তি, এলাকা চিহৃিত চোরাকারবারী কনকপুর গ্রামের ওহাব মিয়ার ছেলে পেয়ার আহমেদ গংরা পেশি শক্তি এবং স্থানীয় এমপির ক্ষমতা দেখিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে থানা পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূঁমিকা পালন করলে নিরীহ বাচ্চু মিয়া গংরা ন্যায় বিচার পাবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের প্রভাব খাঁটিয়ে নিরীহ ব্যক্তির জায়গা জবর দখলের চেষ্টা!

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
৫

প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায়ই অন্য লোকজনের স্থাবর সম্পত্তি জোর পূর্বক বা চাতুরী পন্থায় দখল করে বা দখল করার চেষ্টা করে। এরেই ধারাবাহিকতায় ভুয়া দলিল সৃষ্টি করে, একটি প্রভাবশালী মহল চৌদ্দগ্রামে এক নিরীহ পরিবারের জায়গা বেদখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এলাকার একটি স্বর্ণ চোরাচালানি চক্র জামায়াতের কতেক নেতার সহযোগিতায় স্থানীয় এমপির প্রভাব খাঁটিয়ে প্রায় ১১০৬ শতক সম্পত্তি জোর পূর্বক বেদখের পদক্ষেপ নেয়। এঘটনার সাথে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য পাওয়া গেছে। নিরুপায় জায়গার মালিক বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে গত ১২ অক্টোবর ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারা বিধান মতে একটি মামলা দায়ের করে (যাহার স্বারক নং ৫৫৯)। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া মামলাটি আমলে নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য, সহকারী কমিশনার ভূমি চৌদ্দগ্রামকে নির্দেশ দেয়। একই আদেশে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে বিরোধীয় ভূমিতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে শান্তি- শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।
জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিষভাগ গ্রামের মরহুম জমির উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া গংরা দাদা চাঁন কাজীর ওয়ারিশ সূত্রে ১৮ নাম্বার সিএস খতিয়ানের ১৭২ নাম্বার দাগের প্রায় ১০ কানি সম্পত্তি মালিক বলে দাবী করে আসছে। মুন্সীরহাট ইউনিয়নের কনকপুর গ্রামের মৃত ওহাব মিয়ার ছেলে চোরাকারবাবী পেয়ার আহমেদ এবং পেয়ার আহমেদের ছেলে মনির হোসেন, কবির হোসেন, জাকির হোসেন, কামাল হোসেন, জামাল হোসেন ও জালাল হোসেন গংরা বিভিন্ন জাল দলিল সৃষ্টি করে, বাচ্চু মিয়া গংদের সম্পত্তি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জবর দখলের পায়তারা করে আসছে. সূত্র জানায়, বিষভাগ গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে নূর হোসেন, বাচ্চু মিয়া, আলকাছ মিয়া, ও ফরিদ মিয়া কুমিল্লার যুগ্ম জেলা জজ তৃতীয় আদালতে বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করলে- ২০২০ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর উক্ত আদালত বাচ্চু মিয়া গংদের পক্ষে রায় প্রদান করে। গত ২২ শে মে ১৯৯৫ সালে বাচ্চু মিয়া গংদের প্রতিপক্ষ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে চাঁন কাজীর রেকর্ডীয় সিএস খতিয়ানের বিরুদ্ধে ৩০ ধারা একটি মোকদ্দমা দায়ের করলে, উক্ত আদালত বাদীকে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা করার জন্য পরামর্শ দেয়।
অপরদিকে, ১৯৯৮ সালে চৌদ্দগ্রাম সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বাচ্চু মিয়ার ভাই নুর হোসেন বাদী হয়ে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে (যাহার নং ১৮)। ২০০৭ সালের ২৩ শে অক্টোবর নূর হোসেনের পক্ষে উক্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার রায় প্রদান করে (যাহার আদেশ নং ৫৬)। সূত্র আরো জানায়, বাচ্চু মিয়া গংদের দায়ের করা মামলায় ভুয়া দলিল সৃষ্টিকারী প্রতিপক্ষের ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখের সাফ কবলা দলিল নাম্বার ৫৪, একই বছরে জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখে সাফ কবলা দলিল নাম্বার ৩০৪, একই বছরের জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখে সাফ কবলা দলিল নাম্বার ৩০৫ সহ মোট ৩টি দলিল বাতিল করে, ১১০৬ শতক জমি বাচ্চু মিয়া গংদের পক্ষে রায় ঘোষণা করে।
সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়রা জানায়, বিষভাগ গ্রামের বাচ্চু মিয়া গংদের মালিকানাধীন ১১০৬ শতক সম্পত্তি, এলাকা চিহৃিত চোরাকারবারী কনকপুর গ্রামের ওহাব মিয়ার ছেলে পেয়ার আহমেদ গংরা পেশি শক্তি এবং স্থানীয় এমপির ক্ষমতা দেখিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে থানা পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূঁমিকা পালন করলে নিরীহ বাচ্চু মিয়া গংরা ন্যায় বিচার পাবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।