1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিসোর্টে আগুন: হাসপাতালে ১০ মরদেহ, ডিএনএ পরীক্ষার পর হস্তান্তর

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১

কক্সবাজারের উখিয়ার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। মরদেহ বুঝে নিতে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন স্বজনেরা। তবে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় এখনই তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে না। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কোন মরদেহ কার, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদের পরিচয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। বাকি চারজনের মধ্যে দুজন নারী, একজন শিশু ও একজন পুরুষ।শনিবার সকালে কাঠের তৈরি তিনতলা টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। এতে ১০ পর্যটক নিহত হন এবং দগ্ধ হন আরও ছয়জন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে উড়োজাহাজে ঢাকায় পাঠানো হয়। অন্য দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, আগুনে নিহত ১০ জনের মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। তাই ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।স্ত্রী নাসরিন আক্তারের খোঁজে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে এসেছেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি দেওয়ান ফয়সাল। তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে কক্সবাজারে এসে টুপটুপ রিসোর্টে খোঁজ করেও স্ত্রীর সন্ধান পাননি। হাসপাতালে মরদেহের অবস্থা দেখে কারও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন।

দেওয়ান ফয়সাল জানান, ছয় বছর আগে নাসরিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নাসরিন আক্তার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানান, নাহিদুর নিখোঁজ রয়েছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলেও বাকি চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুনের পর প্রথমে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রিসোর্টের শৌচাগার থেকে আরও চারজনের মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় চেহারা দেখে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে সেগুলো উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আহত ছয়জন হলেন চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)। প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজনের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

রিসোর্টে আগুন: হাসপাতালে ১০ মরদেহ, ডিএনএ পরীক্ষার পর হস্তান্তর

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
১

কক্সবাজারের উখিয়ার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। মরদেহ বুঝে নিতে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন স্বজনেরা। তবে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় এখনই তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে না। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কোন মরদেহ কার, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদের পরিচয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। বাকি চারজনের মধ্যে দুজন নারী, একজন শিশু ও একজন পুরুষ।শনিবার সকালে কাঠের তৈরি তিনতলা টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। এতে ১০ পর্যটক নিহত হন এবং দগ্ধ হন আরও ছয়জন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে উড়োজাহাজে ঢাকায় পাঠানো হয়। অন্য দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, আগুনে নিহত ১০ জনের মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। তাই ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।স্ত্রী নাসরিন আক্তারের খোঁজে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে এসেছেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি দেওয়ান ফয়সাল। তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে কক্সবাজারে এসে টুপটুপ রিসোর্টে খোঁজ করেও স্ত্রীর সন্ধান পাননি। হাসপাতালে মরদেহের অবস্থা দেখে কারও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন।

দেওয়ান ফয়সাল জানান, ছয় বছর আগে নাসরিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নাসরিন আক্তার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানান, নাহিদুর নিখোঁজ রয়েছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলেও বাকি চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুনের পর প্রথমে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রিসোর্টের শৌচাগার থেকে আরও চারজনের মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় চেহারা দেখে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে সেগুলো উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আহত ছয়জন হলেন চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)। প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজনের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।