1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাশিয়ানির রাজপাট ডিগ্রি কলেজে ৮ বছর অধ্যক্ষ না থাকায় শিক্ষার পরিবেশ নিম্নমুখী

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২১

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার রাজপাট ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষের পদ শূণ্য রয়েছে ২০১৮ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে। প্রায় আট বছর ওই কলেজটি চলছে অধ্যক্ষ ছাড়া। কলেজটি দীর্ঘ এতো বছর অধ্যক্ষ ছাড়া চলছে ধুকে ধুকে।
রাজপাট কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান বলেন,আমি অসুস্থ বিধায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মো: শফিকুজ্জামানকে। তিনি একজন অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর। তবে অনেক জুনিয়র। এ যাবত অনেকবার অধ্যক্ষ নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তা সম্ভব হয়নি। এটা সত্যি অধ্যক্ষ বিহীন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারেনা। রাজপাট কলেজে দীর্ঘদিন যাবৎ অধ্যক্ষ না থাকায় শিক্ষার মান নিম্নমুখী। কলেজের সার্বিক অবস্থা নাজুক। আমরা চাই এ অবস্থা থেকে কলেজটি বেরিয়ে আসুক।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: শফিকুজ্জামান বলেন,২০১৭ সালের শেষ দিন পর্যন্ত সুকৃতি মজুমদার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারপর সহকারী অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান সাহেব ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন তিন দফা। তিনি বিভিন্ন জটিল সময়ে সুযোগ বুঝে দায়িত্ব ছেড়ে দেন। আমার আগে আরও দুইজন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি ২০২৪ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।সাত বার চেষ্টা করেও কলেজটিতে বিভিন্ন কারনে অধ্যক্ষ নিয়োগ সম্ভব হয়নি। আশা করছি এনসিটিআরএ চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই একজন যোগ্য অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করতে সক্ষম হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন অভিভাবক বলেন,কলেজে স্থানীয় রাজনীতির প্রভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। কলেজে রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজমান থাকায় শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। এলাকার অনেকেই এটাকে ভালো চোখে দেখেননা। শিক্ষকরাও রাজনীতির সাথে জড়িত।
রাজপাট ডিগ্রি কলেজের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে সার্বিক বিষয় জানার জন্য মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। তার স্ত্রী দাবী করে এক মহিলা ফোন রিসিভ করে বলেন, আমরা ঢাকায় বসবাস করি। কলেজের বিষয়ে আমার স্বামী কিছু বলতে পারবেন না। তিনি বর্তমানে সুস্থ নন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

কাশিয়ানির রাজপাট ডিগ্রি কলেজে ৮ বছর অধ্যক্ষ না থাকায় শিক্ষার পরিবেশ নিম্নমুখী

আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
২১

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার রাজপাট ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষের পদ শূণ্য রয়েছে ২০১৮ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে। প্রায় আট বছর ওই কলেজটি চলছে অধ্যক্ষ ছাড়া। কলেজটি দীর্ঘ এতো বছর অধ্যক্ষ ছাড়া চলছে ধুকে ধুকে।
রাজপাট কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান বলেন,আমি অসুস্থ বিধায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মো: শফিকুজ্জামানকে। তিনি একজন অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর। তবে অনেক জুনিয়র। এ যাবত অনেকবার অধ্যক্ষ নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তা সম্ভব হয়নি। এটা সত্যি অধ্যক্ষ বিহীন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারেনা। রাজপাট কলেজে দীর্ঘদিন যাবৎ অধ্যক্ষ না থাকায় শিক্ষার মান নিম্নমুখী। কলেজের সার্বিক অবস্থা নাজুক। আমরা চাই এ অবস্থা থেকে কলেজটি বেরিয়ে আসুক।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: শফিকুজ্জামান বলেন,২০১৭ সালের শেষ দিন পর্যন্ত সুকৃতি মজুমদার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারপর সহকারী অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান সাহেব ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন তিন দফা। তিনি বিভিন্ন জটিল সময়ে সুযোগ বুঝে দায়িত্ব ছেড়ে দেন। আমার আগে আরও দুইজন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি ২০২৪ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।সাত বার চেষ্টা করেও কলেজটিতে বিভিন্ন কারনে অধ্যক্ষ নিয়োগ সম্ভব হয়নি। আশা করছি এনসিটিআরএ চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই একজন যোগ্য অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করতে সক্ষম হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন অভিভাবক বলেন,কলেজে স্থানীয় রাজনীতির প্রভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। কলেজে রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজমান থাকায় শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। এলাকার অনেকেই এটাকে ভালো চোখে দেখেননা। শিক্ষকরাও রাজনীতির সাথে জড়িত।
রাজপাট ডিগ্রি কলেজের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে সার্বিক বিষয় জানার জন্য মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। তার স্ত্রী দাবী করে এক মহিলা ফোন রিসিভ করে বলেন, আমরা ঢাকায় বসবাস করি। কলেজের বিষয়ে আমার স্বামী কিছু বলতে পারবেন না। তিনি বর্তমানে সুস্থ নন।