প্রশাসনিক কর্মকর্তা খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ
স্থানীয় সরকারের একাধিক সূত্রে জানা যায়, সচিবের দপ্তরে প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদ না থাকার পরও স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক সচিব মুহমদ ইব্রাহিমের নির্দেশে পদায়ন করা হয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা খলিলুর রহমানকে। তিনি সচিবের দপ্তরে বসে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নামে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীদের থেকে মাসিক টাকা উত্তোলন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য ৫ থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন, ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ঠিকাদারদের থেকে টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব পালন করেন। উত্তোলিত টাকা সচিব মুহমদ ইব্রাহিম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ খলিলুর রহমান ভাগাভাগি করতেন
একাধিক সূত্রে আরও জানায়, এলজিইডির একজন দক্ষ প্রধান প্রকৌশলী মহসীনের নামে বদনাম রটিয়ে আলী আকতার হোসেনকে প্রধান প্রকৌশলী পদে বসানোর জন্য ৫০ কোটি টাকা গ্রহণ করে। টাকার ভাগবাটোয়ার দায়িত্ব নেয় খলিলুর রহমান। ৫ আগস্টের পর এ বিভাগের সকল গোপনীয় তথ্য আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকদের নিকট নিয়মিত প্রচার করাই এখন তাদের মুখ্য কাজ। মুহমদ ইব্রাহিম স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পিএস থাকাকালে খলিলুর রহমান তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও সে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এবং খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের একজন অন্যতম সহযোগী। এ বিষয়ে একাধিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।পদ না থাকার পরও সচিবের দপ্তরে পদায়িত হয় খলিলুর রহমান
স্থানীয় সরকারের একাধিক সূত্রে জানা যায়, সচিবের দপ্তরে প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদ না থাকার পরও স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক সচিব মুহমদ ইব্রাহিমের নির্দেশে পদায়ন করা হয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা খলিলুর রহমানকে। তিনি সচিবের দপ্তরে বসে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নামে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীদের থেকে মাসিক টাকা উত্তোলন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য ৫ থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন, ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ঠিকাদারদের থেকে টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব পালন করেন।
একাধিক সূত্রে আরও জানায়, এলজিইডির একজন দক্ষ প্রধান প্রকৌশলী মহসীনের নামে বদনাম রটিয়ে আলী আকতার হোসেনকে প্রধান প্রকৌশলী পদে বসানোর জন্য ৫০ কোটি টাকা গ্রহণ করে। টাকার ভাগবাটোয়ার দায়িত্ব নেয় খলিলুর রহমান। ৫ আগস্টের পর এ বিভাগের সকল গোপনীয় তথ্য আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকদের নিকট নিয়মিত প্রচার করাই এখন তাদের মুখ্য কাজ। মুহমদ ইব্রাহিম স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পিএস থাকাকালে খলিলুর রহমান তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও সে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এবং খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের একজন অন্যতম সহযোগী। আওয়ামী সমর্থনপুষ্ট সাবেক জনপ্রতিনিধিদের নামে অভিযোগ আসলে গ্রহণ ও প্রেরণ শাখার অফিস সহায়ক তাপসের মাধ্যমে খলিলুর রহমান। গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিগণের নিকট ফেরত পাঠায়।


















