1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের কারখানা বন্ধ নিয়ে শ্রমিকদের অভিযোগ, ৬ সেপ্টেম্বর মালিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠক

গাজীপুর প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩১

২৪ আগস্ট অধিদপ্তরে অভিযোগের পর ৩০ আগস্ট বৈঠক; মালিকপক্ষ উপস্থিত না থাকায় পরবর্তী আলোচনার তারিখ নির্ধারণ।
গাজীপুরের কাশিমপুরের সুরাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের কারখানা বন্ধকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ আগস্ট ২০২৬ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা কারখানা বন্ধ ও কাজে যোগদানসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগপত্রে শ্রমিকদের কাজে যোগদান, কর্মসংস্থান ও শ্রমিক অধিকার-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয় এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শ্রমিকদের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়। বৈঠকে শ্রমিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে কারখানা বন্ধের কারণে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান, কাজে যোগদান, পাওনা-দেনা ও অন্যান্য অধিকার নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা সমাধানের দাবি জানানো হয়।
তবে আজকের বৈঠকে কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের মালিকপক্ষ উপস্থিত ছিলেন না। পরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মালিকপক্ষের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন।
এ সময় মালিকপক্ষ জানায়, তারা শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে আগ্রহী। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়ে মালিকপক্ষ সম্মতি জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের আলোচনার মাধ্যমে কারখানা বন্ধের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও পাওনা-দেনার বিষয়গুলোও আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির পথ তৈরি হবে।
এখন শ্রমিকদের দৃষ্টি ৬ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত বৈঠকের দিকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের কারখানা বন্ধ নিয়ে শ্রমিকদের অভিযোগ, ৬ সেপ্টেম্বর মালিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠক

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
৩১

২৪ আগস্ট অধিদপ্তরে অভিযোগের পর ৩০ আগস্ট বৈঠক; মালিকপক্ষ উপস্থিত না থাকায় পরবর্তী আলোচনার তারিখ নির্ধারণ।
গাজীপুরের কাশিমপুরের সুরাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের কারখানা বন্ধকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ আগস্ট ২০২৬ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা কারখানা বন্ধ ও কাজে যোগদানসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগপত্রে শ্রমিকদের কাজে যোগদান, কর্মসংস্থান ও শ্রমিক অধিকার-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয় এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শ্রমিকদের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়। বৈঠকে শ্রমিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে কারখানা বন্ধের কারণে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান, কাজে যোগদান, পাওনা-দেনা ও অন্যান্য অধিকার নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা সমাধানের দাবি জানানো হয়।
তবে আজকের বৈঠকে কে এ ফ্যাশন লিমিটেডের মালিকপক্ষ উপস্থিত ছিলেন না। পরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মালিকপক্ষের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন।
এ সময় মালিকপক্ষ জানায়, তারা শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে আগ্রহী। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়ে মালিকপক্ষ সম্মতি জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের আলোচনার মাধ্যমে কারখানা বন্ধের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও পাওনা-দেনার বিষয়গুলোও আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির পথ তৈরি হবে।
এখন শ্রমিকদের দৃষ্টি ৬ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত বৈঠকের দিকে।