1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ এ বাকৃবি

বাকৃবি প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৫


‎বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ এ অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি)। মেলায় বাকৃবি গবেষকদের নির্বাচিত ৩৬ টি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপিত হবে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ইনোভেশন ফেয়ার কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানানো হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নভোথিয়েটারে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। এই মেলার মূল লক্ষ্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্ভাবক, শিল্পখাত, বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একই ছাদের নিচে নিয়ে আসা। একই সাথে একটি সমন্বিত ইনোভেশন ইকোসিস্টেমের আওতায় যুক্ত করে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বাস্তবিক প্রয়োগ এবং বাজারজাতকরণে যুক্ত করা। যার ফলে তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে সরাসরি বাজারমুখী করে তোলা এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

‎জাতীয় উদ্ভাবনী মেলায় বাকৃবির জোরালো অবস্থান নিয়ে আয়োজকরা জানান, এবারের জাতীয় মেলায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পক্ষে সক্রিয় ও জোরালো অংশগ্রহণ করবে। মেলায় বাকৃবি তিনটি ষ্টলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের গবেষকদের নির্বাচিত ৩৬ টি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপিত হবে। কৃষিপন্য, প্রাণীস্বাস্থ্য, প্রাণীজ উৎপাদন, মৎস্যসম্পদ ও কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কিত উদ্ভাবনসমূহ, বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও প্রোটোটাইপ এই মেলায় প্রদর্শিত হবে। এছাড়া বাকৃবির ওপর নির্মিত ভিডিও, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য চলমান গবেষণা কার্যক্রমের পোস্টার, লিফলেট ও ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

‎আয়োজকবৃন্দ আরও জানান, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বাকৃবির গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রদর্শন, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভুঞাঁ এবং সদস্য সচিব হিসেবে আছেন এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীর। তিন দিনব্যাপী মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাকৃবির সুনাম জাতীয় পর্যায়ে বহন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকবৃৃন্দ।

‎এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইনোভেশন ফেয়ার কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীর, বাকৃবি আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. রোস্তম আলী, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনষ্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম, ফিশারিজ টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো শাহেদ রেজা, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান মঞ্জিল, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম আরিফ হাসান খান, মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

‎বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড জি এম মুজিবর রহমান বলেন, জাতীয় পর্যায়ে বাকৃবির অসংখ্য অর্জন রয়েছে। ইনোভেশন ফেয়ারের মাধ্যমে সেটি দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচারের একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রদর্শিত উদ্ভাবনী প্রযুক্তিসমূহ কৃষক ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে বাজারজাতকরণেরও সুযোগ রয়েছে। আমি আশা করি শিক্ষার্থীরা মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকে কিভাবে ‘নলেজ ইকোনমি’তে রূপান্তর করা যায়, সে সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারবে।

‎উল্লেখ্য, মেলায় ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। মেলায় উদ্ভাবন প্রদর্শনীর পাশাপাশি ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল সেশন ও ৫টি গোলটেবিল বৈঠকসহ তিন দিনে মোট ১৭টি সেশন ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৩১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ এ বাকৃবি

আপডেট সময় : ১২:০১:৩১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫


‎বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ এ অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি)। মেলায় বাকৃবি গবেষকদের নির্বাচিত ৩৬ টি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপিত হবে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ইনোভেশন ফেয়ার কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানানো হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নভোথিয়েটারে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। এই মেলার মূল লক্ষ্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্ভাবক, শিল্পখাত, বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একই ছাদের নিচে নিয়ে আসা। একই সাথে একটি সমন্বিত ইনোভেশন ইকোসিস্টেমের আওতায় যুক্ত করে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বাস্তবিক প্রয়োগ এবং বাজারজাতকরণে যুক্ত করা। যার ফলে তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে সরাসরি বাজারমুখী করে তোলা এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

‎জাতীয় উদ্ভাবনী মেলায় বাকৃবির জোরালো অবস্থান নিয়ে আয়োজকরা জানান, এবারের জাতীয় মেলায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পক্ষে সক্রিয় ও জোরালো অংশগ্রহণ করবে। মেলায় বাকৃবি তিনটি ষ্টলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের গবেষকদের নির্বাচিত ৩৬ টি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপিত হবে। কৃষিপন্য, প্রাণীস্বাস্থ্য, প্রাণীজ উৎপাদন, মৎস্যসম্পদ ও কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কিত উদ্ভাবনসমূহ, বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও প্রোটোটাইপ এই মেলায় প্রদর্শিত হবে। এছাড়া বাকৃবির ওপর নির্মিত ভিডিও, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য চলমান গবেষণা কার্যক্রমের পোস্টার, লিফলেট ও ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

‎আয়োজকবৃন্দ আরও জানান, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বাকৃবির গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রদর্শন, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভুঞাঁ এবং সদস্য সচিব হিসেবে আছেন এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীর। তিন দিনব্যাপী মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাকৃবির সুনাম জাতীয় পর্যায়ে বহন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকবৃৃন্দ।

‎এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইনোভেশন ফেয়ার কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীর, বাকৃবি আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. রোস্তম আলী, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনষ্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম, ফিশারিজ টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো শাহেদ রেজা, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান মঞ্জিল, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম আরিফ হাসান খান, মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

‎বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড জি এম মুজিবর রহমান বলেন, জাতীয় পর্যায়ে বাকৃবির অসংখ্য অর্জন রয়েছে। ইনোভেশন ফেয়ারের মাধ্যমে সেটি দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচারের একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রদর্শিত উদ্ভাবনী প্রযুক্তিসমূহ কৃষক ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে বাজারজাতকরণেরও সুযোগ রয়েছে। আমি আশা করি শিক্ষার্থীরা মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকে কিভাবে ‘নলেজ ইকোনমি’তে রূপান্তর করা যায়, সে সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারবে।

‎উল্লেখ্য, মেলায় ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। মেলায় উদ্ভাবন প্রদর্শনীর পাশাপাশি ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল সেশন ও ৫টি গোলটেবিল বৈঠকসহ তিন দিনে মোট ১৭টি সেশন ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।