মাঝরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন পাঠ্যবইয়ের মান
রাজধানীর বিভিন্ন ছাপাখানায় আকস্মিক পরিদর্শন চালিয়ে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য ছাপা পাঠ্যবইয়ের গুণগত মান যাচাই করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানা পরিদর্শন করেন তিনি। ছাপাখানাগুলো হলো—মৌসুমী অফসেট প্রেস, ফায়িজা প্রিন্টিং প্রেস, শৈলী প্রিন্টার্স, বর্ণশিখা অফসেট প্রিন্টার্স, সোনালী ওয়েব প্রিন্টার্স ও ন্যাশনাল প্রিন্টার্স। এ সময় মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পাঠ্যবই ছাপার বিভিন্ন ধাপ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে বই ছাপায় ব্যবহৃত কাগজের মান, মুদ্রণের গুণগত মান এবং নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিবছর দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বিপুলসংখ্যক পাঠ্যবই ছাপানো হয়। এসব বইয়ের কাগজ, মুদ্রণ ও বাঁধাইসহ সামগ্রিক মান নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের ছাপার মান নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এরই অংশ হিসেবে রাতে ছাপাখানাগুলোতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান শিক্ষামন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছে বই ছাপার কাজে ব্যবহৃত কাগজের মান, মুদ্রণপ্রক্রিয়া ও বইয়ের সামগ্রিক গুণগত মান সম্পর্কে জানতে চান।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত মানের পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ কারণে বই ছাপার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান ও চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
তারা আরও জানান, পাঠ্যবই ছাপার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং নির্ধারিত মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিতে এ ধরনের আকস্মিক তদারকি অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
























