1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আট মাসে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব, সিজারিয়ান ৫৩

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, বোদা(পঞ্চগড়)
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত আট মাসে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রসূতির নিরাপদ প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালটিতে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৫৩টি সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত আট মাসে মোট ৪৩৪ জন প্রসূতির সন্তান প্রসব হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৫৩টি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

ফলে মোট প্রসবের মধ্যে স্বাভাবিক প্রসবের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ থাকায় অনেক গর্ভবতী নারী সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করছেন। এতে একদিকে প্রসূতিদের চিকিৎসাসেবা পাওয়া সহজ হচ্ছে, অন্যদিকে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোও আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গর্ভবতী মায়ের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রসবের ব্যবস্থা করা হলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হয়।

তবে মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আট মাসে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব হওয়ায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি স্থানীয় মানুষের আগ্রহও বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসূতি ও নবজাতকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার মান আরও উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের মতে, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে প্রসূতি সেবার পরিধি বাড়ানো গেলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূরের জেলা শহর বা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হবে না। এতে সময় ও অর্থ—দুটিই সাশ্রয় হবে।

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেবার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রসবের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রসবের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো জরুরি।
গত আট মাসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৫৩টি সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে। অর্থাৎ মোট ৪৩৪টি প্রসবের মধ্যে অধিকাংশই স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি ও নবজাতক সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ডা: মো: লুৎফুল কবীর, পঞ্চগড় বোদা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, তিনি জানান- বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় সিভিল সার্জন মহোদয়ের উদ্যোগে সিজারিয়ান অপারেশন চালু আছে। এক্ষেত্রে তেঁতুলিয়ায় কর্মরত গাইনী কনসালটেন্ট ডা: আফিফা জিন্নাত ও পঞ্চগড় এর এনেসথেশিয়া কনসালটেন্ট ডা: মনসুর আলম দীর্ঘ তিন বছর নিয়মিত ভাবে সিজারিয়ান অপারেশন করে আসছেন। উল্লেখ্য যে এখানে কোনো গাইনী বা এনেসথেশিয়া কনসালটেন্ট নেই। তাই সপ্তাহে মাত্র একদিন অপারেশন করা হয়। নিয়মিত কনসালটেন্ট থাকলে আরো বেশি সার্ভিস দেয়া যেতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:০০:২৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আট মাসে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব, সিজারিয়ান ৫৩

আপডেট সময় : ০২:০০:২৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত আট মাসে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রসূতির নিরাপদ প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালটিতে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৫৩টি সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত আট মাসে মোট ৪৩৪ জন প্রসূতির সন্তান প্রসব হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৫৩টি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

ফলে মোট প্রসবের মধ্যে স্বাভাবিক প্রসবের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ থাকায় অনেক গর্ভবতী নারী সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করছেন। এতে একদিকে প্রসূতিদের চিকিৎসাসেবা পাওয়া সহজ হচ্ছে, অন্যদিকে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোও আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গর্ভবতী মায়ের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রসবের ব্যবস্থা করা হলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হয়।

তবে মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আট মাসে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব হওয়ায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি স্থানীয় মানুষের আগ্রহও বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসূতি ও নবজাতকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার মান আরও উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের মতে, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে প্রসূতি সেবার পরিধি বাড়ানো গেলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূরের জেলা শহর বা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হবে না। এতে সময় ও অর্থ—দুটিই সাশ্রয় হবে।

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেবার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রসবের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রসবের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো জরুরি।
গত আট মাসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে ৩৮১টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৫৩টি সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে। অর্থাৎ মোট ৪৩৪টি প্রসবের মধ্যে অধিকাংশই স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি ও নবজাতক সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ডা: মো: লুৎফুল কবীর, পঞ্চগড় বোদা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, তিনি জানান- বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় সিভিল সার্জন মহোদয়ের উদ্যোগে সিজারিয়ান অপারেশন চালু আছে। এক্ষেত্রে তেঁতুলিয়ায় কর্মরত গাইনী কনসালটেন্ট ডা: আফিফা জিন্নাত ও পঞ্চগড় এর এনেসথেশিয়া কনসালটেন্ট ডা: মনসুর আলম দীর্ঘ তিন বছর নিয়মিত ভাবে সিজারিয়ান অপারেশন করে আসছেন। উল্লেখ্য যে এখানে কোনো গাইনী বা এনেসথেশিয়া কনসালটেন্ট নেই। তাই সপ্তাহে মাত্র একদিন অপারেশন করা হয়। নিয়মিত কনসালটেন্ট থাকলে আরো বেশি সার্ভিস দেয়া যেতো।