1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে ১৪৪ কোটি টাকার চক্ষু হাসপাতালে দুর্নীতির জ্বলন্ত উদাহরণ, দেখার কেউ নেই!

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৩

গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ১৫ একর জমির ওপর নির্মিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সরকারি চক্ষু হাসপাতাল এখন হাজারো মানুষের চিকিৎসার ভরসা ছিল। কিন্তু প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা তৈরি হয়েছে ১১ বছর ধরে । নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর ভবনগুলো পড়ে থাকায় সরকারি সম্পদের অপচয় ও রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ ওঠে।
গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় ১৫ একর জমির ওপর প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সরকারি চক্ষু হাসপাতাল। ২০১০ সালে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়। শেষ হয় ২০১৫ সালের জুন মাসে। ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালটির উদ্বোধন করা হয়।
লক্ষ্য ছিল গোপালগঞ্জসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষের আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও ১২বছরে আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা পড়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে।নির্মাণগত ত্রুটি, ভবন হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা, প্রশাসনিক দায় ঠেলাঠেলি ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এসব ভবন বছরের পর বছর ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে সরকারি সম্পদ। এমনকি সন্ধ্যার পর পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে মাদকসেবীদের আড্ডা বসার অভিযোগও রয়েছে।
পুরো কমপ্লেক্সে নির্মাণ করা হয়েছিল ২৩টি ভবন।এর মধ্যে একাডেমিক ভবন, আবাসিক কোয়ার্টার ও ডরমেটরির সংখ্যা ১৭টি।
চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য নির্মিত এসব ভবনে থাকার ব্যবস্থা ছিল প্রায় ৩৫০ জনের।
“এত বড় বড় ভবন বানানো হয়েছে, কিন্তু অনেক ভবন বছরের পর বছর পড়ে আছে। দেখাশোনা না থাকায় আগাছা-লতাপাতায় ভরে গেছে। এগুলো দ্রুত ব্যবহার করা হলে এলাকার মানুষ উপকৃত হতো।”
শুধু ভবন পড়ে থাকাই নয়, এসব স্থাপনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে নানা অভিযোগ।তাদের দাবি, দীর্ঘদিন অরক্ষিত পড়ে থাকায় ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হচ্ছে।কোথাও গজিয়েছে গাছপালা ও লতাপাতা। কোথাও রয়েছে আগাছা ও আবর্জনা।, সন্ধ্যার পর পরিত্যক্ত ভবন ও আশপাশের এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ে।মাদকসেবীদের আড্ডা বসার অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।
পরিত্যক্ত ভবনগুলোর বিষয়ে এবার সরব হয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটির সভাপতি ডা. কে এম বাবর।তার অভিযোগ, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এসব ভবন পরিত্যক্ত রেখে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে।
“১৭টি ভবন এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। শত শত কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে খেয়েছে গণপূর্ত বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান—এমন অভিযোগ রয়েছে। এদের বিচারের আওতায় আনা উচিত। এখন এই ভবনগুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছি।”
বর্তমান গণপূর্ত বিভাগ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে তারা রাজি হননি। কষ্ট! গোপালগঞ্জ চক্ষু হাসপাতালে এত দূর্নীতি দুদক তদন্ত দাবী করছেন এলাকা বাসী…?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক জিয়ার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। আমরা দূর্নীতি মুক্ত স্বাস্থ্যসেবা চাই!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:১০:১৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে ১৪৪ কোটি টাকার চক্ষু হাসপাতালে দুর্নীতির জ্বলন্ত উদাহরণ, দেখার কেউ নেই!

আপডেট সময় : ১২:১০:১৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
১৩

গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ১৫ একর জমির ওপর নির্মিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সরকারি চক্ষু হাসপাতাল এখন হাজারো মানুষের চিকিৎসার ভরসা ছিল। কিন্তু প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা তৈরি হয়েছে ১১ বছর ধরে । নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর ভবনগুলো পড়ে থাকায় সরকারি সম্পদের অপচয় ও রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ ওঠে।
গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় ১৫ একর জমির ওপর প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সরকারি চক্ষু হাসপাতাল। ২০১০ সালে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়। শেষ হয় ২০১৫ সালের জুন মাসে। ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালটির উদ্বোধন করা হয়।
লক্ষ্য ছিল গোপালগঞ্জসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষের আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও ১২বছরে আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা পড়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে।নির্মাণগত ত্রুটি, ভবন হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা, প্রশাসনিক দায় ঠেলাঠেলি ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এসব ভবন বছরের পর বছর ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে সরকারি সম্পদ। এমনকি সন্ধ্যার পর পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে মাদকসেবীদের আড্ডা বসার অভিযোগও রয়েছে।
পুরো কমপ্লেক্সে নির্মাণ করা হয়েছিল ২৩টি ভবন।এর মধ্যে একাডেমিক ভবন, আবাসিক কোয়ার্টার ও ডরমেটরির সংখ্যা ১৭টি।
চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য নির্মিত এসব ভবনে থাকার ব্যবস্থা ছিল প্রায় ৩৫০ জনের।
“এত বড় বড় ভবন বানানো হয়েছে, কিন্তু অনেক ভবন বছরের পর বছর পড়ে আছে। দেখাশোনা না থাকায় আগাছা-লতাপাতায় ভরে গেছে। এগুলো দ্রুত ব্যবহার করা হলে এলাকার মানুষ উপকৃত হতো।”
শুধু ভবন পড়ে থাকাই নয়, এসব স্থাপনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে নানা অভিযোগ।তাদের দাবি, দীর্ঘদিন অরক্ষিত পড়ে থাকায় ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হচ্ছে।কোথাও গজিয়েছে গাছপালা ও লতাপাতা। কোথাও রয়েছে আগাছা ও আবর্জনা।, সন্ধ্যার পর পরিত্যক্ত ভবন ও আশপাশের এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ে।মাদকসেবীদের আড্ডা বসার অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।
পরিত্যক্ত ভবনগুলোর বিষয়ে এবার সরব হয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটির সভাপতি ডা. কে এম বাবর।তার অভিযোগ, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এসব ভবন পরিত্যক্ত রেখে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে।
“১৭টি ভবন এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। শত শত কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে খেয়েছে গণপূর্ত বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান—এমন অভিযোগ রয়েছে। এদের বিচারের আওতায় আনা উচিত। এখন এই ভবনগুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছি।”
বর্তমান গণপূর্ত বিভাগ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে তারা রাজি হননি। কষ্ট! গোপালগঞ্জ চক্ষু হাসপাতালে এত দূর্নীতি দুদক তদন্ত দাবী করছেন এলাকা বাসী…?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক জিয়ার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। আমরা দূর্নীতি মুক্ত স্বাস্থ্যসেবা চাই!