1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহনগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

পলাশ পাল, নেত্রকোনা প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৪

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেন নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারীরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রথম ধাপে ১ নম্বর বড়কাশিয়া-বিরামপুর, ২ নম্বর বড়তলী-বানিয়াহারী ও ৩ নম্বর তেতুলিয়া ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আজ সকালে প্রথমদিকেই বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়।
এ কার্যক্রমের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের হলরুমে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. এ. কাদের, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিক উদ্দীন, তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, তথ্য সংগ্রহের কাজে ৬২ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ছয়জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে ছয়জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে রিজার্ভ রাখা হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহের সুবিধার্থে প্রথম পর্যায়ে ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য তথ্য সংগ্রহকারীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে।
তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, আয়-ব্যয়সহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে সংগৃহীত তথ্য সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য পরিবার ও ব্যক্তিদের নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ভাতা প্রদানের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের পুরো প্রক্রিয়া সফটওয়্যারভিত্তিক ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হবে। ফলে অনিয়মের সুযোগ নেই। তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে সতর্কতার সঙ্গে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:২০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

মোহনগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

আপডেট সময় : ০৭:১৫:২০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
২৪

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেন নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারীরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রথম ধাপে ১ নম্বর বড়কাশিয়া-বিরামপুর, ২ নম্বর বড়তলী-বানিয়াহারী ও ৩ নম্বর তেতুলিয়া ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আজ সকালে প্রথমদিকেই বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়।
এ কার্যক্রমের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের হলরুমে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. এ. কাদের, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিক উদ্দীন, তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, তথ্য সংগ্রহের কাজে ৬২ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ছয়জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে ছয়জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে রিজার্ভ রাখা হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহের সুবিধার্থে প্রথম পর্যায়ে ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য তথ্য সংগ্রহকারীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে।
তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, আয়-ব্যয়সহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে সংগৃহীত তথ্য সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য পরিবার ও ব্যক্তিদের নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ভাতা প্রদানের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের পুরো প্রক্রিয়া সফটওয়্যারভিত্তিক ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হবে। ফলে অনিয়মের সুযোগ নেই। তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে সতর্কতার সঙ্গে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন।