1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধুনটে সরকারি খাসজমি ও খাল দখলের অভিযোগ, ৩০০ একর কৃষিজমি জলাবদ্ধতার শঙ্কায়

ধুনট প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২০

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ছাতিয়ানী মৌজায় সরকারি খাসজমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ এবং সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালা মাটি দিয়ে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় দুই হাজার মানুষের কৃষিজমিতে যাতায়াতের পথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। অভিযোগপত্রে প্রায় ৫০ জনের গণস্বাক্ষর রয়েছে। এতে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল কাদের এবং ছাতিয়ানী এলাকার ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল ওয়াহাব স্বাক্ষর করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ছাতিয়ানী গ্রামের মোঃ আব্দুল একাব গংয়ের বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রামবাসীর দাবি, ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত থাকলে এলাকার প্রায় দুই হাজার সাধারণ মানুষের কৃষিজমিতে যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে, একই মৌজার মোঃ জহুরুল ইসলাম (পিতা: খালেক মুন্সি)–এর বিরুদ্ধে সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালা মাটি দিয়ে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নালাটি বন্ধ হয়ে গেলে গ্রামের প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হবে। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে কৃষি চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, গ্রামবাসীর অভিযোগ, শুধু ছাতিয়ানী মৌজার খাসজমি ও খাল দখল নয়, রামপুরা বাজারের বিভিন্ন স্থানে সরকারি রাস্তার জমি দখল করে অসংখ্য দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনো কোনো দোকানের ভেতরে প্রায় তিন থেকে সাড়ে সাত শতাংশ পর্যন্ত সরকারি রাস্তার জমি দখল করে রাখা হয়েছে। এ বিষয়টিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগপত্রে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল কাদের, ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, মো. আকতার হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. রানা তালুকদার, মো. কামরুল, মো. শাহাআলী, আব্দুল করিম, আব্দুল মালেক, মো. আব্দুল ছাত্তার, মো. নিয়ামুল হাসান ও আব্দুল মজিদসহ স্থানীয় আরও অনেকে।

গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর সরেজমিন তদন্ত, সরকারি খাসজমির সীমানা নির্ধারণ, সরকারি খাল ও নালা ভরাট বন্ধ এবং অবৈধ দখল হয়ে থাকলে তা উদ্ধারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনস্বার্থ, কৃষিজমি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং উপজেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

ধুনটে সরকারি খাসজমি ও খাল দখলের অভিযোগ, ৩০০ একর কৃষিজমি জলাবদ্ধতার শঙ্কায়

আপডেট সময় : ০১:৩২:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
২০

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ছাতিয়ানী মৌজায় সরকারি খাসজমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ এবং সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালা মাটি দিয়ে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় দুই হাজার মানুষের কৃষিজমিতে যাতায়াতের পথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। অভিযোগপত্রে প্রায় ৫০ জনের গণস্বাক্ষর রয়েছে। এতে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল কাদের এবং ছাতিয়ানী এলাকার ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল ওয়াহাব স্বাক্ষর করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ছাতিয়ানী গ্রামের মোঃ আব্দুল একাব গংয়ের বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রামবাসীর দাবি, ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত থাকলে এলাকার প্রায় দুই হাজার সাধারণ মানুষের কৃষিজমিতে যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে, একই মৌজার মোঃ জহুরুল ইসলাম (পিতা: খালেক মুন্সি)–এর বিরুদ্ধে সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালা মাটি দিয়ে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নালাটি বন্ধ হয়ে গেলে গ্রামের প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হবে। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে কৃষি চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, গ্রামবাসীর অভিযোগ, শুধু ছাতিয়ানী মৌজার খাসজমি ও খাল দখল নয়, রামপুরা বাজারের বিভিন্ন স্থানে সরকারি রাস্তার জমি দখল করে অসংখ্য দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনো কোনো দোকানের ভেতরে প্রায় তিন থেকে সাড়ে সাত শতাংশ পর্যন্ত সরকারি রাস্তার জমি দখল করে রাখা হয়েছে। এ বিষয়টিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগপত্রে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল কাদের, ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, মো. আকতার হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. রানা তালুকদার, মো. কামরুল, মো. শাহাআলী, আব্দুল করিম, আব্দুল মালেক, মো. আব্দুল ছাত্তার, মো. নিয়ামুল হাসান ও আব্দুল মজিদসহ স্থানীয় আরও অনেকে।

গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর সরেজমিন তদন্ত, সরকারি খাসজমির সীমানা নির্ধারণ, সরকারি খাল ও নালা ভরাট বন্ধ এবং অবৈধ দখল হয়ে থাকলে তা উদ্ধারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনস্বার্থ, কৃষিজমি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং উপজেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।