মিরসরাইয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা খুনিদের বিচারের দাবিতে স্বজনদের মানববন্ধন
মিরসরাইয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। গত ৩০ শে জুন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের রায়পুর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে নির্যাতনের বলি হলেন নুসরাত জাহান রিয়া।
স্বজনেরা জানান, বিয়ে করার ১৫-২০ দিন পরে আমার পরিবার মেয়ের সুখের জন্য তাদের কে মেনে নেয়।পরে আমরা সমাজিক ভাবে তাদের মেনে নেই।যখন সামাজিক ভাবে তাদের মেনে নেওয়া হয়। তার কিছুদিন পর থেকে শুধু হয় আমার বোনের উপর মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন। যখন তারা আমার বোনের উপর মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করতো তখন আমার বোন আমাদের বাড়িতে চলে আসতো।এভাবে হয়তে হয়তে কেটে যাই ৬ টি মাস।
কিছু দিন আমার বোনের স্বামী আর তার বোনের জামাই মিলে একটা প্রোবোক্স গাড়ি কিনে গাড়িটি কিনার পর থেকে তারা আমার বোনের উপর টাকার জন্য প্রেসার দেই। তখন আমার বোন টাকা নাহ দিতে রাজি হওয়াই আমার বোনের উপর মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করে।
গত ৩০.০৬.২৬ তারিখ মানে ঘটনার দিন রাতে ৬ টার দিকেও আমার বোন আমার মায়ের সঙ্গে ১ ঘন্টার উপরর কথা বলে তখনও আমার বোন হাসি সুখি ভাবে সবার সঙ্গে কথা বলছে। ঘটনা হয় ৯ টার পর। ৯ টার পর আমার বোন কে তারা মেরে পেলার পর আমার বোনের শুশুর বিদেশ থেকে আমার আব্বুকে কল দিয়ে বলে আমার বোন নাকি তাদের বাড়ি থেকে পালাই গেছে। তারা আমার বোন কে মেরে সব ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল।
তারা আমার বোনের মৃত্যু খবর টাও আমাদের শুনাই নাই। আমরা আমার বোনের মৃত্যু খবর টা শুনতে পাই আমান বোনের শুশুর বাড়ির পাশে আমাদের একটা নিকটতম আত্মীয় আছে তারা আমাদের খবর দেয় তখন আমরা শুনতে পাই।পরবর্তী তে আমি মীরসরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যাই দেখি আমার বোনকে তখনও হাসপাতালে নিয়ে আসে নাই।।ঠিক তখন আমার বোন এর শাশুড়ী ও শাশুড়ী মেয়ে ঘটনা স্থান থেকে পালাই নাই।
তারা যখন দেখতে পেলো আমাদের বাড়ি থেকে লোকজন তাদের বাড়িতে যাচ্ছে তখন তারা আমার বোন কে হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার বোনকে তার স্বামী ও স্বামীর বোনের জামাই হাসপাতালে নিয়ে যাই।আমার বোনের স্বামী বোনের জামাই যখন আমাকে হাসপাতালে দেখে সাথে সাথে সে দৌড় মেরে পালাই যাই।
যখন আমার বোনকে হাসপাতালে আনে তখন আমার বোনের স্বামী ডাক্তার কে জানাই আমার বোনে পাশী দিছে আমি আমার বোনের গলার ছবি দিছি আপনাতে মতামত দিবেন একটা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি মেয়ে ওজন আনুমানিক ৭৫ কেজির বেশি মেয়ে যদি ফাস দেই তখন তার গলার কেমন আবস্তা হবে তা মোটামুটি প্রশাসন জানবে। আজ আমার বোনের মৃত্যুর ২ দিন হলো আজ পযন্ত তার শশুর বাড়ির কেউ আমাদের বা আমার বোন এর একটু খোর খবর নিলো নাহ আমরা কেমনে মেনে নিবো আমার বোনে ফাস দিছে দিছে। তারা আমার বোনকে হত্যা করছে।
আমি নিজে বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটা মামলা করি আমার বোনের স্বামীকে জোরারগঞ্জ থানার পুলিশ আটক করেছে। আমি জোরারগঞ্জ থানার পুলিশ ও প্রশাসন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনারা যেনো আমার বোন এর খুনিদের তারাতারি আটক করে প্রশাসন এর হাতে তুলে দিন।আর আমি সকলের কাছে বিশেষ অনুরোধ রাখলাম খুনি মিজাকে যে যেখানে দেখবেন তাকে ধরে পুশিন প্রশাসন এর হাতে তুলে দিবেন। আমি আমার বোনের খুনিদের ফাসি চাই তাদের বিচার চাই।
খুনিদের ফাঁসি এবং পলাতকদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজনরা। আজ ৩ জুলাই শুক্রবার চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। উক্ত মানববন্ধনে নিহতের স্বজনেরা খুনিদের ফাঁসি এবং পলাতক খুনিদের আটক করে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়



















