1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল ফটিকছড়ির প্রবাসী এনামের

নাজিম উদ্দীন, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাদি বাপের বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মুহাম্মদ এনাম (৪০) ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি মরহুম জাগির হোসেনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত প্রায় ৮টার দিকে ওমানের সালালা এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্রের মেরামতের কাজ করছিলেন এনাম। কাজ চলাকালে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তিনি গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের আশায় দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে আসছিলেন এনাম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন কাটিয়ে আবার জীবিকার তাগিদে ওমানে ফিরে যান। কিন্তু সেই বিদায়ই হয়ে গেল চিরবিদায়। জীবিত অবস্থায় নয়, এবার তার মরদেহই ফিরবে জন্মভূমিতে—এমন নির্মম বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে স্ত্রী, দুই সন্তান, মা ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক। ছোট দুটি সন্তান এখনও বাবার অপেক্ষায়, আর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার পরিবেশ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এনাম ছিলেন অত্যন্ত সৎ, ভদ্র, পরিশ্রমী ও সদালাপী একজন মানুষ। সবার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে শুধু পরিবারই নয়, পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার জানিয়েছে, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল ফটিকছড়ির প্রবাসী এনামের

আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাদি বাপের বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মুহাম্মদ এনাম (৪০) ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি মরহুম জাগির হোসেনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত প্রায় ৮টার দিকে ওমানের সালালা এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্রের মেরামতের কাজ করছিলেন এনাম। কাজ চলাকালে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তিনি গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের আশায় দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে আসছিলেন এনাম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন কাটিয়ে আবার জীবিকার তাগিদে ওমানে ফিরে যান। কিন্তু সেই বিদায়ই হয়ে গেল চিরবিদায়। জীবিত অবস্থায় নয়, এবার তার মরদেহই ফিরবে জন্মভূমিতে—এমন নির্মম বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে স্ত্রী, দুই সন্তান, মা ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক। ছোট দুটি সন্তান এখনও বাবার অপেক্ষায়, আর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার পরিবেশ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এনাম ছিলেন অত্যন্ত সৎ, ভদ্র, পরিশ্রমী ও সদালাপী একজন মানুষ। সবার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে শুধু পরিবারই নয়, পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার জানিয়েছে, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে।