আরও কমেছে জেট ফুয়েলের দাম
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ৩৯ টাকা ৫৭ পয়সা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
আর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইনসের জন্য শুল্ক ও মূসকমুক্ত জেট ফুয়েলের দাম প্রতি লিটার ১ দশমিক ৩৪ ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ০৮২৩ ডলার করা হয়েছে।
নতুন দর শনিবার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে।
এর আগে ৭ মে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে দাম ১ দশমিক ৪৮ ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৩৪ ডলার করা হয়েছিল।
বিইআরসি বলছে, ২০২৫ সালের ১৩ মে জারি করা কমিশনের আদেশ অনুযায়ী মাসভিত্তিতে প্ল্যাটস রেটের ভিত্তিতে জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ‘জেট এ-১’ এর দামে ‘বড় পরিবর্তন’ হওয়ায় ৫ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত প্ল্যাটস রেটের গড় বিবেচনায় মে মাসের মধ্যবর্তী সময়ের জন্য নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের এলসি নিষ্পত্তিতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার এবং ডিজেলের বিদ্যমান দামের কারণে কোস্টাল ট্যাংকার ও ট্যাংক লরির পরিবহন চার্জও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এর আগে এপ্রিলে জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছিল বিইআরসি। ৭ এপ্রিল অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২০২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২২৭ টাকা ৮ পয়সা করা হয়। আন্তর্জাতিক রুটে লিটারে দাম করা হয় ১ দশমিক ৪৮ ডলার। তারও আগে ২৪ মার্চ অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক রুটে দাম বাড়ানো হয় ০ দশমিক ৭৪ ডলার থেকে ১ দশমিক ৩২ ডলারে।
মার্চের শুরুতেও জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ৮ মার্চ অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার দাম ৯৫ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা এবং আন্তর্জাতিক রুটে ০ দশমিক ৬২ ডলার থেকে ০ দশমিক ৭৩৮৪ ডলার নির্ধারণ করে বিইআরসি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে তা ১৯ পয়সা বাড়িয়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জেট ফুয়েলের অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল বলে এর আগে বলেছিল বিইআরসি।






















