1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় ফাহিম

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১২

পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সুস্থতার জন্য হাঁটার অভ্যাসের বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পৌঁছেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতিকর্মী ফাহিম মুনতাসীর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তিনি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা শূন্যরেখায় পৌঁছান। এর মাঝে তিনি ১ হাজার ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে ছবি তুলে তিনি তাঁর দীর্ঘ এ পদযাত্রার ২১ দিন পর সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

গত ১০ জুলাই দেশের সর্ব দক্ষিণের শহর কক্সবাজারের টেকনাফের শাপলা জিরো পয়েন্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করেন ফাহিম।সূচনালগ্নে তাঁর সঙ্গে দুজন সহযাত্রী থাকলেও ফেনীতে এসে তাঁরা যাত্রা থামিয়ে দেন। এরপর থেকে লক্ষ্য অর্জনে একা পথ হেঁটেছেন ফাহিম। পথচলার ফাঁকে বিভিন্ন চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা, তাদের গাছ লাগানো ও হাঁটায় উৎসাহিত করা ছিল তাঁর প্রধান কাজ। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ও বৃক্ষরোপণও করেছেন তিনি।

EN

পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় ফাহিম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
আপডেট: ১৭:৫৪, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় ফাহিম
ফাহিম মুনতাসীর।

google_news

পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সুস্থতার জন্য হাঁটার অভ্যাসের বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পৌঁছেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতিকর্মী ফাহিম মুনতাসীর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তিনি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা শূন্যরেখায় পৌঁছান। এর মাঝে তিনি ১ হাজার ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে ছবি তুলে তিনি তাঁর দীর্ঘ এ পদযাত্রার ২১ দিন পর সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

গত ১০ জুলাই দেশের সর্ব দক্ষিণের শহর কক্সবাজারের টেকনাফের শাপলা জিরো পয়েন্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করেন ফাহিম।

সূচনালগ্নে তাঁর সঙ্গে দুজন সহযাত্রী থাকলেও ফেনীতে এসে তাঁরা যাত্রা থামিয়ে দেন। এরপর থেকে লক্ষ্য অর্জনে একা পথ হেঁটেছেন ফাহিম। পথচলার ফাঁকে বিভিন্ন চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা, তাদের গাছ লাগানো ও হাঁটায় উৎসাহিত করা ছিল তাঁর প্রধান কাজ। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ও বৃক্ষরোপণও করেছেন তিনি।
ফাহিম মুনতাসীরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়ায়। বিদ্যালয় জীবন থেকেই তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সোনালী সকাল’-এর সভাপতি ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির যুবপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া প্রকৃতি সুরক্ষা ও জলাধার ভরাটবিরোধী নানা সামাজিক কর্মসূচিতে তিনি সবসময় সক্রিয়।

পেশাগত জীবনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি কলেজের শিক্ষক।
দীর্ঘ যাত্রা শেষে বাংলাবান্ধা পৌঁছে ফাহিম বলেন, আমি পেরেছি! এটি আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। স্বপ্নপূরণের এই মুহূর্তে আমি অত্যন্ত আপ্লুত। আমার এই পদযাত্রা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যদি সামান্য কিছু মানুষও পরিবেশ রক্ষা ও হাঁটার প্রতি আগ্রহী হন, তবেই আমার এই কষ্ট সার্থক।

যাত্রাপথের বর্ণনা দিয়ে ফাহিম জানান, টেকনাফ থেকে যাত্রা শুরুর পর উখিয়া, চকরিয়া, চট্টগ্রামের কেরানীহাট, পতেঙ্গা ও সীতাকুণ্ড, ফেনীর মহিপাল, কুমিল্লা শহর, দাউদকান্দি, ঢাকা, সাভারের জাহাঙ্গীরনগর, মির্জাপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, রংপুরের পায়রাবন্দ, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও তেঁতুলিয়া হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাবান্ধা পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন।

এসময় অনেকেই আমাকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলেন।
পথচলার স্মৃতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, যাত্রাপথে আমি মানুষের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছি। পরিবেশকর্মী ও রেডক্রিসেন্টের বন্ধুদের অসামান্য সহায়তা ছিল, তাঁরাই আমার থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। সুস্থ থাকার জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ১০ হাজার কদম হাঁটা প্রয়োজন। কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ দিন দিন অতিরিক্ত যানবাহন নির্ভর হয়ে পড়ছে এবং হাঁটার অভ্যাস হারিয়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষকে যানবাহন ছেড়ে হাঁটায় উদ্বুদ্ধ করতেই আমার এ আয়োজন।

পরিবেশের বিষয়ে ফাহিম যোগ করেন, হাঁটার অভ্যাস বাড়লে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে, যা জিরো-কার্বনের স্বপ্ন পূরণে ভূমিকা রাখবে। যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও কার্বন নিঃসরণের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট। প্রকৃতি রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, আমাদের সবার। সড়কের পাশে অনিয়ন্ত্রিত গাছ কাটা, পাখির অভয়ারণ্য নষ্ট করা এবং জলাশয় ভরাট করা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়া হাতিসহ নানা বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার বন্ধ এবং পরিবেশ আইনের কঠোর বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় ফাহিম

আপডেট সময় : ০৬:২৬:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
১২

পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সুস্থতার জন্য হাঁটার অভ্যাসের বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পৌঁছেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতিকর্মী ফাহিম মুনতাসীর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তিনি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা শূন্যরেখায় পৌঁছান। এর মাঝে তিনি ১ হাজার ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে ছবি তুলে তিনি তাঁর দীর্ঘ এ পদযাত্রার ২১ দিন পর সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

গত ১০ জুলাই দেশের সর্ব দক্ষিণের শহর কক্সবাজারের টেকনাফের শাপলা জিরো পয়েন্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করেন ফাহিম।সূচনালগ্নে তাঁর সঙ্গে দুজন সহযাত্রী থাকলেও ফেনীতে এসে তাঁরা যাত্রা থামিয়ে দেন। এরপর থেকে লক্ষ্য অর্জনে একা পথ হেঁটেছেন ফাহিম। পথচলার ফাঁকে বিভিন্ন চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা, তাদের গাছ লাগানো ও হাঁটায় উৎসাহিত করা ছিল তাঁর প্রধান কাজ। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ও বৃক্ষরোপণও করেছেন তিনি।

EN

পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় ফাহিম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
আপডেট: ১৭:৫৪, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় ফাহিম
ফাহিম মুনতাসীর।

google_news

পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সুস্থতার জন্য হাঁটার অভ্যাসের বার্তা নিয়ে পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পৌঁছেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতিকর্মী ফাহিম মুনতাসীর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তিনি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা শূন্যরেখায় পৌঁছান। এর মাঝে তিনি ১ হাজার ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে ছবি তুলে তিনি তাঁর দীর্ঘ এ পদযাত্রার ২১ দিন পর সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

গত ১০ জুলাই দেশের সর্ব দক্ষিণের শহর কক্সবাজারের টেকনাফের শাপলা জিরো পয়েন্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করেন ফাহিম।

সূচনালগ্নে তাঁর সঙ্গে দুজন সহযাত্রী থাকলেও ফেনীতে এসে তাঁরা যাত্রা থামিয়ে দেন। এরপর থেকে লক্ষ্য অর্জনে একা পথ হেঁটেছেন ফাহিম। পথচলার ফাঁকে বিভিন্ন চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা, তাদের গাছ লাগানো ও হাঁটায় উৎসাহিত করা ছিল তাঁর প্রধান কাজ। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ও বৃক্ষরোপণও করেছেন তিনি।
ফাহিম মুনতাসীরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়ায়। বিদ্যালয় জীবন থেকেই তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সোনালী সকাল’-এর সভাপতি ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির যুবপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া প্রকৃতি সুরক্ষা ও জলাধার ভরাটবিরোধী নানা সামাজিক কর্মসূচিতে তিনি সবসময় সক্রিয়।

পেশাগত জীবনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি কলেজের শিক্ষক।
দীর্ঘ যাত্রা শেষে বাংলাবান্ধা পৌঁছে ফাহিম বলেন, আমি পেরেছি! এটি আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। স্বপ্নপূরণের এই মুহূর্তে আমি অত্যন্ত আপ্লুত। আমার এই পদযাত্রা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যদি সামান্য কিছু মানুষও পরিবেশ রক্ষা ও হাঁটার প্রতি আগ্রহী হন, তবেই আমার এই কষ্ট সার্থক।

যাত্রাপথের বর্ণনা দিয়ে ফাহিম জানান, টেকনাফ থেকে যাত্রা শুরুর পর উখিয়া, চকরিয়া, চট্টগ্রামের কেরানীহাট, পতেঙ্গা ও সীতাকুণ্ড, ফেনীর মহিপাল, কুমিল্লা শহর, দাউদকান্দি, ঢাকা, সাভারের জাহাঙ্গীরনগর, মির্জাপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, রংপুরের পায়রাবন্দ, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও তেঁতুলিয়া হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাবান্ধা পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন।

এসময় অনেকেই আমাকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলেন।
পথচলার স্মৃতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, যাত্রাপথে আমি মানুষের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছি। পরিবেশকর্মী ও রেডক্রিসেন্টের বন্ধুদের অসামান্য সহায়তা ছিল, তাঁরাই আমার থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। সুস্থ থাকার জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ১০ হাজার কদম হাঁটা প্রয়োজন। কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ দিন দিন অতিরিক্ত যানবাহন নির্ভর হয়ে পড়ছে এবং হাঁটার অভ্যাস হারিয়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষকে যানবাহন ছেড়ে হাঁটায় উদ্বুদ্ধ করতেই আমার এ আয়োজন।

পরিবেশের বিষয়ে ফাহিম যোগ করেন, হাঁটার অভ্যাস বাড়লে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে, যা জিরো-কার্বনের স্বপ্ন পূরণে ভূমিকা রাখবে। যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও কার্বন নিঃসরণের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট। প্রকৃতি রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, আমাদের সবার। সড়কের পাশে অনিয়ন্ত্রিত গাছ কাটা, পাখির অভয়ারণ্য নষ্ট করা এবং জলাশয় ভরাট করা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়া হাতিসহ নানা বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার বন্ধ এবং পরিবেশ আইনের কঠোর বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।