1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে ছাউনি ছাড়াই ট্রেনের অপেক্ষা, রোদ-বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

মোঃ আমজাদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়পুরহাট ও আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত যাত্রীছাউনি না থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেকেই পড়ছেন নানা সমস্যায়।
বৃষ্টি নামলেই স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা যাত্রীদের মধ্যে শুরু হয় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ। কেউ ছুটছেন টিকিট কাউন্টারের দিকে, কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন স্টেশনের দোকানে। আবার অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য প্ল্যাটফর্মে অবস্থান করছেন। তবে ট্রেন আসার ঘোষণা হলে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে যেতে গিয়ে ফের বৃষ্টিতে ভিজতে হয় তাদের।
আক্কেলপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ মিটার। দীর্ঘ এই প্ল্যাটফর্মে কোনো যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রচণ্ড রোদ কিংবা বৃষ্টির সময় যাত্রীদের অপেক্ষা করা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ট্রেন ধরতে অনেককে ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগেই প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়াতে হয়।
এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন চিকিৎসার জন্য যাতায়াতকারী রোগী ও তাদের স্বজনরা। বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায় প্রেসক্রিপশন, চিকিৎসার কাগজপত্র, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অন্যদিকে, তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় অসুস্থ ও বয়স্ক যাত্রীদের শারীরিক কষ্ট আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, আক্কেলপুর স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ এ স্টেশন ব্যবহার করেন। এছাড়া ট্রেন ক্রসিংয়ের কারণে সপ্তাহে গড়ে ২০ থেকে ২৫ বার ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন দাঁড়ায়। ফলে এই প্ল্যাটফর্মে একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী বলেন, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে কোনো ছাউনি না থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বৃষ্টির সময় অনেকেই ভিজে যান, আবার কখনো কখনো আশ্রয় নিতে গিয়ে ট্রেনও মিস হয়ে যায়। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সেখানে একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণের দাবি জানান তারা।
আক্কেলপুর রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে স্টেশনে রেলের একটি এক্সটেনশনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কাজের সময় যাত্রীছাউনি নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
স্থানীয় যাত্রীদের দাবি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অপেক্ষায় না রেখে দ্রুত ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হলে রোদ-বৃষ্টিতে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:০০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটে ছাউনি ছাড়াই ট্রেনের অপেক্ষা, রোদ-বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আপডেট সময় : ০৭:৪০:০০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়পুরহাট ও আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত যাত্রীছাউনি না থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেকেই পড়ছেন নানা সমস্যায়।
বৃষ্টি নামলেই স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা যাত্রীদের মধ্যে শুরু হয় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ। কেউ ছুটছেন টিকিট কাউন্টারের দিকে, কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন স্টেশনের দোকানে। আবার অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য প্ল্যাটফর্মে অবস্থান করছেন। তবে ট্রেন আসার ঘোষণা হলে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে যেতে গিয়ে ফের বৃষ্টিতে ভিজতে হয় তাদের।
আক্কেলপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ মিটার। দীর্ঘ এই প্ল্যাটফর্মে কোনো যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রচণ্ড রোদ কিংবা বৃষ্টির সময় যাত্রীদের অপেক্ষা করা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ট্রেন ধরতে অনেককে ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগেই প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়াতে হয়।
এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন চিকিৎসার জন্য যাতায়াতকারী রোগী ও তাদের স্বজনরা। বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায় প্রেসক্রিপশন, চিকিৎসার কাগজপত্র, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অন্যদিকে, তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় অসুস্থ ও বয়স্ক যাত্রীদের শারীরিক কষ্ট আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, আক্কেলপুর স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ এ স্টেশন ব্যবহার করেন। এছাড়া ট্রেন ক্রসিংয়ের কারণে সপ্তাহে গড়ে ২০ থেকে ২৫ বার ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন দাঁড়ায়। ফলে এই প্ল্যাটফর্মে একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী বলেন, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে কোনো ছাউনি না থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বৃষ্টির সময় অনেকেই ভিজে যান, আবার কখনো কখনো আশ্রয় নিতে গিয়ে ট্রেনও মিস হয়ে যায়। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সেখানে একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণের দাবি জানান তারা।
আক্কেলপুর রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে স্টেশনে রেলের একটি এক্সটেনশনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কাজের সময় যাত্রীছাউনি নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
স্থানীয় যাত্রীদের দাবি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অপেক্ষায় না রেখে দ্রুত ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হলে রোদ-বৃষ্টিতে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।