1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্য জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে পা কেটে নেওয়ার হুমকি

মাগুরা প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়ায় মাগুরায় এক সাংবাদিককে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, পা কেটে নেওয়া এবং মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে মাগুরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন দৈনিক মানবকণ্ঠ, এশিয়ান টিভির মাগুরা জেলা প্রতিনিধি এস এম শিমুল রানা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাগুরা সদর থানায় দেওয়া সাধারণ ডায়েরিতে শিমুল রানা উল্লেখ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে কর্মরত মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন তিনি। এ সময় অভিযোগের বিষয়ে তথ্য বা বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে রেজাউল ইসলাম তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে পা কেটে নেওয়া ও মামলা দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সাংবাদিক শিমুল রানা বলেন, একটি অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানার জন্যই ফোন করেছিলাম। আমি কোনো ধরনের ব্যক্তিগত কথা বলিনি। কিন্তু তিনি অভিযোগের বিষয়ে কোনো তথ্য না দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেন। এমনকি পা কেটে নেওয়া ও মামলা দেওয়ার হুমকিও দেন। এতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অডিওটি শুনেছেন এমন কয়েকজন সাংবাদিক জানান, কথোপকথনে সাংবাদিককে অশালীন ভাষায় কথা বলার বিষয়টি শোনা যায়।
আরটিভি ও আমাদের সময়ের মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোখলেসুর রহমান বলেন, একজন সাংবাদিক তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে যেকোনো বিষয়ে তথ্য জানতে চাইতেই পারেন। তথ্য চাওয়ার কারণে তাঁকে হুমকি বা গালিগালাজ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা সাংবাদিক পরিবার থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে আইনকে শ্রদ্ধা রেখে দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ২৪-এর মাগুরা প্রতিনিধি বলেন, একজন সাংবাদিককে এ ধরনের ভাষায় কথা বলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি তাঁর দায়িত্বের অংশ হিসেবে তথ্য জানতে পারেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
স্টার নিউজের মাগুরা প্রতিনিধি মোঃ ইউনুস আলী বলেন, ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। আমি অডিও রেকর্ডটি শুনেছি। সেখানে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় কথা বলার বিষয়টি শোনা যায়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সাংবাদিকের অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার স্বাভাবিক ও পেশাগত প্রক্রিয়া। তবে বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে যদি কোনো সাংবাদিককে শারীরিক ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়ে থাকে, সেটি শুধু একজন সাংবাদিকের নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল ইসলাম বলেন, অডিও রেকর্ডটি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

তথ্য জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে পা কেটে নেওয়ার হুমকি

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়ায় মাগুরায় এক সাংবাদিককে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, পা কেটে নেওয়া এবং মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে মাগুরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন দৈনিক মানবকণ্ঠ, এশিয়ান টিভির মাগুরা জেলা প্রতিনিধি এস এম শিমুল রানা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাগুরা সদর থানায় দেওয়া সাধারণ ডায়েরিতে শিমুল রানা উল্লেখ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে কর্মরত মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন তিনি। এ সময় অভিযোগের বিষয়ে তথ্য বা বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে রেজাউল ইসলাম তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে পা কেটে নেওয়া ও মামলা দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সাংবাদিক শিমুল রানা বলেন, একটি অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানার জন্যই ফোন করেছিলাম। আমি কোনো ধরনের ব্যক্তিগত কথা বলিনি। কিন্তু তিনি অভিযোগের বিষয়ে কোনো তথ্য না দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেন। এমনকি পা কেটে নেওয়া ও মামলা দেওয়ার হুমকিও দেন। এতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অডিওটি শুনেছেন এমন কয়েকজন সাংবাদিক জানান, কথোপকথনে সাংবাদিককে অশালীন ভাষায় কথা বলার বিষয়টি শোনা যায়।
আরটিভি ও আমাদের সময়ের মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোখলেসুর রহমান বলেন, একজন সাংবাদিক তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে যেকোনো বিষয়ে তথ্য জানতে চাইতেই পারেন। তথ্য চাওয়ার কারণে তাঁকে হুমকি বা গালিগালাজ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা সাংবাদিক পরিবার থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে আইনকে শ্রদ্ধা রেখে দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ২৪-এর মাগুরা প্রতিনিধি বলেন, একজন সাংবাদিককে এ ধরনের ভাষায় কথা বলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি তাঁর দায়িত্বের অংশ হিসেবে তথ্য জানতে পারেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
স্টার নিউজের মাগুরা প্রতিনিধি মোঃ ইউনুস আলী বলেন, ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। আমি অডিও রেকর্ডটি শুনেছি। সেখানে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় কথা বলার বিষয়টি শোনা যায়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সাংবাদিকের অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার স্বাভাবিক ও পেশাগত প্রক্রিয়া। তবে বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে যদি কোনো সাংবাদিককে শারীরিক ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়ে থাকে, সেটি শুধু একজন সাংবাদিকের নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল ইসলাম বলেন, অডিও রেকর্ডটি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।