1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

মোঃ ইয়াছিন সরকার কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২০

কুমিল্লার মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ এনে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করেছেন।
নিহত গৃহবধূর নাম আয়সা আক্তার। তিনি দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের গাংটিয়ারা গ্রামের নজরুল ইসলাম মুন্সি ও সাহানাজ বেগমের মেয়ে। তার স্বামী আবদুল ওহাব, মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর দাগার বাড়ি গ্রামের মৃত শহিদের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, প্রায় ১২ বছর আগে আয়সা আক্তারের বিয়ে হয় আবদুল ওহাবের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। বিভিন্ন সময় তাকে মারধর করা হতো এবং তার পরিবারের কাছে টাকা দাবি করা হতো বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
নিহতের ভাই অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি তাদের পরিবার আয়সাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠাতে রাজি ছিল না। পরে আবদুল ওহাব ক্ষমা চেয়ে আর কোনো ঝগড়া-বিবাদ হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে তাকে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে নেওয়ার পর আয়সার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে মাছের প্রজেক্টে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন বাড়ির উঠানে আয়সার মরদেহ পড়ে আছে, কিন্তু বাড়িতে স্বামী বা পরিবারের কোনো সদস্য নেই। পরে স্বামীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একবার একটি ছোট মেয়ে ফোন রিসিভ করে জানায়, বাড়িতে কেউ নেই।
খবর পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে গৃহবধূ ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা—সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে নিহতের স্বজনদের দাবি, তারা থানায় হত্যা মামলা করতে গেলেও তাদের মামলা নেওয়া হয়নি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০

কুমিল্লার মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ এনে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করেছেন।
নিহত গৃহবধূর নাম আয়সা আক্তার। তিনি দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের গাংটিয়ারা গ্রামের নজরুল ইসলাম মুন্সি ও সাহানাজ বেগমের মেয়ে। তার স্বামী আবদুল ওহাব, মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর দাগার বাড়ি গ্রামের মৃত শহিদের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, প্রায় ১২ বছর আগে আয়সা আক্তারের বিয়ে হয় আবদুল ওহাবের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। বিভিন্ন সময় তাকে মারধর করা হতো এবং তার পরিবারের কাছে টাকা দাবি করা হতো বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
নিহতের ভাই অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি তাদের পরিবার আয়সাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠাতে রাজি ছিল না। পরে আবদুল ওহাব ক্ষমা চেয়ে আর কোনো ঝগড়া-বিবাদ হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে তাকে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে নেওয়ার পর আয়সার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে মাছের প্রজেক্টে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন বাড়ির উঠানে আয়সার মরদেহ পড়ে আছে, কিন্তু বাড়িতে স্বামী বা পরিবারের কোনো সদস্য নেই। পরে স্বামীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একবার একটি ছোট মেয়ে ফোন রিসিভ করে জানায়, বাড়িতে কেউ নেই।
খবর পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে গৃহবধূ ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা—সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে নিহতের স্বজনদের দাবি, তারা থানায় হত্যা মামলা করতে গেলেও তাদের মামলা নেওয়া হয়নি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।