1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল বন্দরে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা, ‘বিশাল পরিবর্তন হবে’—চেয়ারম্যান মান্না

নূর হোসেন শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেনাপোল স্থলবন্দরের অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল ইসলাম মান্না। তিনি বলেছেন, বন্দরকে আধুনিক ও কার্যকর করতে নতুন এক্সেস প্রজেক্টের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো বন্দরে পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল এবং সর্বাধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১ নম্বর সেট থেকে পরিদর্শন শুরু করেন চেয়ারম্যান মানজারুল ইসলাম মান্না। পরে তিনি বন্দরের ৩১ নম্বর সেট পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য ওঠানামার স্থান, শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চেয়ারম্যান। বেনাপোল বন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বেনাপোল বন্দরে একটা বিশাল চেঞ্জ হবে। একটি নতুন এক্সেস প্রজেক্টের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোথায় কী করা হবে, সেটির একটি ম্যাপ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী কাজ করা হবে।”
বন্দরের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, “পুরো বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।” বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা যাতে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, “শ্রমিকদের জন্য একটি হাসপাতাল করা হবে।” বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদারের বিষয়ে মানজারুল ইসলাম মান্না বলেন, “সিকিউরিটি ১০০ শতাংশ দেওয়া হবে। পুরো বন্দর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।” এর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় এনে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
বন্দরে অনিয়ম ও অসাধু কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক করে চেয়ারম্যান বলেন, “সকলকে সৎ হতে হবে। যারা কোনো ধরনের খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন হাওলাদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব আনিসুল হক, সহকারী পরিচালক পার্থ ঘোষ, আব্দুল হান্নান ও সঞ্জয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বেনাপোল স্থলবন্দরের হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সভাপতি তবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল বন্দরে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা, ‘বিশাল পরিবর্তন হবে’—চেয়ারম্যান মান্না

আপডেট সময় : ১০:৪১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেনাপোল স্থলবন্দরের অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল ইসলাম মান্না। তিনি বলেছেন, বন্দরকে আধুনিক ও কার্যকর করতে নতুন এক্সেস প্রজেক্টের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো বন্দরে পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল এবং সর্বাধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১ নম্বর সেট থেকে পরিদর্শন শুরু করেন চেয়ারম্যান মানজারুল ইসলাম মান্না। পরে তিনি বন্দরের ৩১ নম্বর সেট পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য ওঠানামার স্থান, শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চেয়ারম্যান। বেনাপোল বন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বেনাপোল বন্দরে একটা বিশাল চেঞ্জ হবে। একটি নতুন এক্সেস প্রজেক্টের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোথায় কী করা হবে, সেটির একটি ম্যাপ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী কাজ করা হবে।”
বন্দরের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, “পুরো বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।” বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা যাতে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, “শ্রমিকদের জন্য একটি হাসপাতাল করা হবে।” বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদারের বিষয়ে মানজারুল ইসলাম মান্না বলেন, “সিকিউরিটি ১০০ শতাংশ দেওয়া হবে। পুরো বন্দর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।” এর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় এনে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
বন্দরে অনিয়ম ও অসাধু কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক করে চেয়ারম্যান বলেন, “সকলকে সৎ হতে হবে। যারা কোনো ধরনের খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন হাওলাদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব আনিসুল হক, সহকারী পরিচালক পার্থ ঘোষ, আব্দুল হান্নান ও সঞ্জয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বেনাপোল স্থলবন্দরের হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সভাপতি তবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।