1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৌদি আরবের কাছে সর্বোচ্চ ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য এই চুক্তির বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসকে অবহিত করেছে। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে কোনো আরব দেশের কাছে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রজন্মের এ যুদ্ধবিমান বিক্রি হবে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত বিক্রয় চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নন-ন্যাটো মিত্রের নিরাপত্তা জোরদার করবে। পাশাপাশি এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই (এমইই) কয়েক মাস ধরে সৌদি আরবের এফ-৩৫ কেনার সম্ভাব্য চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবেদন করে আসছিল। গত বছরের নভেম্বরে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের নতুন প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের আওতায় রিয়াদের এফ-৩৫ কেনার বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হোয়াইট হাউস সফরের সময় ওই প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব চূড়ান্ত হয়।

এরপর গত ডিসেম্বরে এমইই জানায়, সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ (কিউএমই) বা সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। বছরের শুরুতে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কংগ্রেসের ক্যাপিটল হিলে একাধিক বৈঠকও করেন।

চুক্তিটি এগিয়ে নিতে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান চলতি গ্রীষ্মে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এমইই জানিয়েছে।

এদিকে, ইয়েমেনের হুথিদের হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে রয়েছে দেশটি। একই সময়ে ইয়েমেনে সৌদি আরব-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে লড়াই করছে।

এমইইর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হুথিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো অংশের পাশাপাশি বাব আল-মান্দাব প্রণালির আরব উপসাগরমুখী অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির বিরোধিতা করে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ ঘোষণাটি তাঁর অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরব এফ-৩৫ পেলে চীনের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা মহলের কিছু কর্মকর্তা। নিউইয়র্ক টাইমস মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে চুক্তির ঘোষণার এক দিন আগে এ ধরনের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের কাছে সর্বোচ্চ ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য এই চুক্তির বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসকে অবহিত করেছে। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে কোনো আরব দেশের কাছে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রজন্মের এ যুদ্ধবিমান বিক্রি হবে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত বিক্রয় চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নন-ন্যাটো মিত্রের নিরাপত্তা জোরদার করবে। পাশাপাশি এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই (এমইই) কয়েক মাস ধরে সৌদি আরবের এফ-৩৫ কেনার সম্ভাব্য চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবেদন করে আসছিল। গত বছরের নভেম্বরে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের নতুন প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের আওতায় রিয়াদের এফ-৩৫ কেনার বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হোয়াইট হাউস সফরের সময় ওই প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব চূড়ান্ত হয়।

এরপর গত ডিসেম্বরে এমইই জানায়, সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ (কিউএমই) বা সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। বছরের শুরুতে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কংগ্রেসের ক্যাপিটল হিলে একাধিক বৈঠকও করেন।

চুক্তিটি এগিয়ে নিতে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান চলতি গ্রীষ্মে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এমইই জানিয়েছে।

এদিকে, ইয়েমেনের হুথিদের হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে রয়েছে দেশটি। একই সময়ে ইয়েমেনে সৌদি আরব-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে লড়াই করছে।

এমইইর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হুথিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো অংশের পাশাপাশি বাব আল-মান্দাব প্রণালির আরব উপসাগরমুখী অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির বিরোধিতা করে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ ঘোষণাটি তাঁর অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরব এফ-৩৫ পেলে চীনের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা মহলের কিছু কর্মকর্তা। নিউইয়র্ক টাইমস মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে চুক্তির ঘোষণার এক দিন আগে এ ধরনের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল।