কালমা ইউনিয়নে ১৭০০ জেলের জেলেভাতা আত্মসাতের অভিযোগ, তীব্র নিন্দা ও মানববন্ধন
কালমা ইউনিয়নের অসহায় জেলেদের জন্য সরকারের দেওয়া জেলেভাতা নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
কালমা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মেহেদি হাসান সুজন, ১৬০০ থেকে ১৭০০ জেলের জেলেভাতার কার্ড নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই বিষয়ে মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মহিউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মিজান মাতব্বর কিছুই জানেন না বলে জানা গেছে। তাদেরকে না জানিয়েই এই কার্যক্রম করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
প্রকৃত যে জেলেরা এই ভাতার হকদার, যারা নদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরে, তারা আজ বঞ্চিত। তাদের হক মেরে দেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ ফরাজি বাজারে সাধারণ জেলে ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন করা হয়েছে।
আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং আমাদের লালমোহন-তজুমদ্দিনের অভিভাবক, জাতীয় সংসদের স্পিকার, মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমাদের দাবি:
১. ১৭০০ জেলেভাতার কার্ডের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
২. কারা প্রকৃত জেলে এবং কারা ভুয়া কার্ডধারী তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।
৩. এই আত্মসাতের সাথে যেই জড়িত থাকুক, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিএনপি গরীবের দল, জেলেদের দল। কোনো ব্যক্তির জন্য দলের বদনাম হতে পারে না। জেলেদের হক ফিরিয়ে দিন।























