1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানববন্ধনের পর লামা প্রেসক্লাবে দুই কমিটি, নেতৃত্ব নিয়ে বিভাজন

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বান্দরবানের লামা প্রেসক্লাবের সদস্যপদ, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য’র ব্যানারে ‘ফ্যাসিস্টমুক্ত লামা প্রেসক্লাব গঠনের দাবিতে’ মানববন্ধনের পর প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি সামনে এসেছে।

১৮ সেপ্টেম্বর লামা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা লামা প্রেসক্লাবের সদস্যপদ প্রক্রিয়া, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা প্রেসক্লাবকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

মানববন্ধনের পর এক পক্ষ মোহাম্মদ করিম এলএল.বি.-কে সভাপতি এবং আমিনুল ইসলাম খন্দকারকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি ঘোষণা করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, মো. কামরুজ্জামানকে সভাপতি এবং মো. নুরুল করিম আরমানকে সাধারণ সম্পাদক করে আরেকটি কমিটি রয়েছে। এ কমিটির পক্ষ থেকে এটিকে লামা প্রেসক্লাবের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত কমিটি হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

এতে লামা প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব নিয়ে দুটি পৃথক কমিটির দাবি সামনে এসেছে। পাশাপাশি সদস্য তালিকা, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যেও বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রেসক্লাবের সদস্যপদ নবায়ন ও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া সীমিত রয়েছে। তাদের দাবি, নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সদস্য হওয়ার সুযোগ না থাকায় পেশাগতভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছেন।

প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ করিম বলেন, “লামা প্রেসক্লাব যেখানে সকল সাংবাদিকদের মুক্তমঞ্চ হওয়ার কথা, সেখানে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে এটি আজ যেন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।”

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নজরুল ইসলাম বলেন, “একটি প্রাচীন প্রেসক্লাব নতুন মুখ গ্রহণ না করায় আমরা তরুণরা চরম হতাশার মধ্যে আছি। নতুন কাউকে সহ্য করতে পারে না লামা প্রেসক্লাবের সদস্যরা। আমাদের বলে অন্য আরও সংগঠন আছে, সেখানে গিয়ে জায়গা নিতে।”

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অপর পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। বর্তমানে দুটি কমিটির অস্তিত্বের দাবি ঘিরে লামা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনার পাশাপাশি স্বচ্ছ সদস্য তালিকা, গঠনতন্ত্র ও নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুসরণের দাবি উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

মানববন্ধনের পর লামা প্রেসক্লাবে দুই কমিটি, নেতৃত্ব নিয়ে বিভাজন

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের লামা প্রেসক্লাবের সদস্যপদ, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য’র ব্যানারে ‘ফ্যাসিস্টমুক্ত লামা প্রেসক্লাব গঠনের দাবিতে’ মানববন্ধনের পর প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি সামনে এসেছে।

১৮ সেপ্টেম্বর লামা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা লামা প্রেসক্লাবের সদস্যপদ প্রক্রিয়া, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা প্রেসক্লাবকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

মানববন্ধনের পর এক পক্ষ মোহাম্মদ করিম এলএল.বি.-কে সভাপতি এবং আমিনুল ইসলাম খন্দকারকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি ঘোষণা করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, মো. কামরুজ্জামানকে সভাপতি এবং মো. নুরুল করিম আরমানকে সাধারণ সম্পাদক করে আরেকটি কমিটি রয়েছে। এ কমিটির পক্ষ থেকে এটিকে লামা প্রেসক্লাবের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত কমিটি হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

এতে লামা প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব নিয়ে দুটি পৃথক কমিটির দাবি সামনে এসেছে। পাশাপাশি সদস্য তালিকা, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যেও বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রেসক্লাবের সদস্যপদ নবায়ন ও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া সীমিত রয়েছে। তাদের দাবি, নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সদস্য হওয়ার সুযোগ না থাকায় পেশাগতভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছেন।

প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ করিম বলেন, “লামা প্রেসক্লাব যেখানে সকল সাংবাদিকদের মুক্তমঞ্চ হওয়ার কথা, সেখানে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে এটি আজ যেন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।”

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নজরুল ইসলাম বলেন, “একটি প্রাচীন প্রেসক্লাব নতুন মুখ গ্রহণ না করায় আমরা তরুণরা চরম হতাশার মধ্যে আছি। নতুন কাউকে সহ্য করতে পারে না লামা প্রেসক্লাবের সদস্যরা। আমাদের বলে অন্য আরও সংগঠন আছে, সেখানে গিয়ে জায়গা নিতে।”

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অপর পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। বর্তমানে দুটি কমিটির অস্তিত্বের দাবি ঘিরে লামা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনার পাশাপাশি স্বচ্ছ সদস্য তালিকা, গঠনতন্ত্র ও নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুসরণের দাবি উঠেছে।