1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় ডেঙ্গুতে দুই অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, আইসিইউ না পাওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসাসেবা ও আইসিইউ সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে। পরিবারের অভিযোগ, একাধিক হাসপাতালে চেষ্টা করেও আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

নাহিদ হাসান ও নুসরাত জাহান দম্পতি তৃতীয় সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাতের পর রোববার সিজারিয়ান অপারেশনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। অনাগত সন্তানের নামও ঠিক করে রেখেছিল পরিবার।

তবে গত শুক্রবার নুসরাতের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। সেদিন তার রক্তের প্লাটিলেট ৬২ হাজারে নেমে যায়। তাকে খুলনা নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা খুঁজেও পাওয়া যায়নি। পরে রাতে নুসরাতকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও আইসিইউ শয্যা না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা। রোববার ভোরে ফরিদপুরের ভাঙ্গার কাছে নুসরাত নিস্তেজ হয়ে পড়লে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গর্ভের সন্তানটিকেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

একই সময়ে খুলনার আরেক বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা সাদিয়া আফরিন সুমাইয়া। পরিবারের সদস্যরা জানান, তার মা ও বাবা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুমাইয়ারও জ্বর হয়। গর্ভকালীন জটিলতা মনে করে শুরুতে হাসপাতালে যাননি তিনি।

শনিবার রাতে শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দিলেও সেখানে আইসিইউ না থাকায় তাকে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও আইসিইউ শয্যা পাওয়া যায়নি। পরে তাকে লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রোববার ভোরে সুমাইয়ার মৃত্যু হয়। তার মা রিনা বেগম এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আইসিইউ সংকটের কারণে দুজনের চিকিৎসা ব্যাহত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের সরকারি হিসাবে নুসরাত ও সুমাইয়ার নাম ডেঙ্গুতে মৃতদের তালিকায় নেই।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২০ দিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ২ হাজার ৮৯৮ জন। এ সময়ে মারা গেছেন ১১ জন। তবে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে।

২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ মৃত্যু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৫ জন।

এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে। আর এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬৩ হাজার ৬২৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগে—৩১৪ জন। খুলনা বিভাগে ২৭১ জন এবং ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ২৮১ জন ভর্তি হয়েছেন।

এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ২১৭, রাজশাহী বিভাগে ১৪৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৬৭, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬৬, ময়মনসিংহে ৪৩, রংপুরে ৪১ এবং সিলেটে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

‘আমি কাকে আম্মু বলে ডাকব’

নুসরাতের পরিবারে এখন শোকের ছায়া। তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে রওদা এখনও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেনি মাকে হারানোর বিষয়টি। পরিবারের সদস্যদের কাছে মাঝে মাঝে সে জানতে চাইছে, ‘আমি কাকে আম্মু বলে ডাকব?’

নুসরাত বটিয়াঘাটার ইউসুফিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। গর্ভধারণের পর চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, অন্য শিশুদের মশা থেকে দূরে রাখার জন্য নুসরাত নিজেই সবাইকে সতর্ক করতেন।

নুসরাতের স্বামী নাহিদ হাসান খুলনার গ্রামীণফোন সেন্টারের ডেপুটি ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। স্ত্রীর মৃত্যুতে তিনি বলেন, ‘কীভাবে কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না।’

মাকে খুঁজছে দেড় বছরের কেয়া

সুমাইয়ার দেড় বছর বয়সী মেয়ে কেয়া এখনো বুঝতে পারছে না তার মা আর নেই। স্বজনদের কাছে বারবার সে বলছে, ‘আমার সোনা মা কোথায়?’

পরিবারের সদস্যরা জানান, দ্বিতীয়বার গর্ভধারণের পর বাবার বাড়িতে ছিলেন সুমাইয়া। কয়েক দিন ধরে জ্বর থাকলেও সেটিকে গর্ভকালীন উপসর্গ মনে করে চিকিৎসকের কাছে যাননি তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পর কোথাও আইসিইউ শয্যা পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুসনদে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিটি করপোরেশন সরাসরি হাসপাতাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য না এলে তা সরকারি হিসাবে যুক্ত হয় না।

কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, এডিস মশা নির্মূলে সিটি করপোরেশন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় কেসিসির পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সাতটি মেডিকেল ক্যাম্পও চালু রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় ডেঙ্গুতে দুই অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, আইসিইউ না পাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসাসেবা ও আইসিইউ সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে। পরিবারের অভিযোগ, একাধিক হাসপাতালে চেষ্টা করেও আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

নাহিদ হাসান ও নুসরাত জাহান দম্পতি তৃতীয় সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাতের পর রোববার সিজারিয়ান অপারেশনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। অনাগত সন্তানের নামও ঠিক করে রেখেছিল পরিবার।

তবে গত শুক্রবার নুসরাতের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। সেদিন তার রক্তের প্লাটিলেট ৬২ হাজারে নেমে যায়। তাকে খুলনা নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা খুঁজেও পাওয়া যায়নি। পরে রাতে নুসরাতকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও আইসিইউ শয্যা না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা। রোববার ভোরে ফরিদপুরের ভাঙ্গার কাছে নুসরাত নিস্তেজ হয়ে পড়লে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গর্ভের সন্তানটিকেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

একই সময়ে খুলনার আরেক বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা সাদিয়া আফরিন সুমাইয়া। পরিবারের সদস্যরা জানান, তার মা ও বাবা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুমাইয়ারও জ্বর হয়। গর্ভকালীন জটিলতা মনে করে শুরুতে হাসপাতালে যাননি তিনি।

শনিবার রাতে শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দিলেও সেখানে আইসিইউ না থাকায় তাকে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও আইসিইউ শয্যা পাওয়া যায়নি। পরে তাকে লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রোববার ভোরে সুমাইয়ার মৃত্যু হয়। তার মা রিনা বেগম এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আইসিইউ সংকটের কারণে দুজনের চিকিৎসা ব্যাহত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের সরকারি হিসাবে নুসরাত ও সুমাইয়ার নাম ডেঙ্গুতে মৃতদের তালিকায় নেই।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২০ দিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ২ হাজার ৮৯৮ জন। এ সময়ে মারা গেছেন ১১ জন। তবে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে।

২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ মৃত্যু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৫ জন।

এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে। আর এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬৩ হাজার ৬২৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগে—৩১৪ জন। খুলনা বিভাগে ২৭১ জন এবং ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ২৮১ জন ভর্তি হয়েছেন।

এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ২১৭, রাজশাহী বিভাগে ১৪৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৬৭, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬৬, ময়মনসিংহে ৪৩, রংপুরে ৪১ এবং সিলেটে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

‘আমি কাকে আম্মু বলে ডাকব’

নুসরাতের পরিবারে এখন শোকের ছায়া। তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে রওদা এখনও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেনি মাকে হারানোর বিষয়টি। পরিবারের সদস্যদের কাছে মাঝে মাঝে সে জানতে চাইছে, ‘আমি কাকে আম্মু বলে ডাকব?’

নুসরাত বটিয়াঘাটার ইউসুফিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। গর্ভধারণের পর চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, অন্য শিশুদের মশা থেকে দূরে রাখার জন্য নুসরাত নিজেই সবাইকে সতর্ক করতেন।

নুসরাতের স্বামী নাহিদ হাসান খুলনার গ্রামীণফোন সেন্টারের ডেপুটি ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। স্ত্রীর মৃত্যুতে তিনি বলেন, ‘কীভাবে কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না।’

মাকে খুঁজছে দেড় বছরের কেয়া

সুমাইয়ার দেড় বছর বয়সী মেয়ে কেয়া এখনো বুঝতে পারছে না তার মা আর নেই। স্বজনদের কাছে বারবার সে বলছে, ‘আমার সোনা মা কোথায়?’

পরিবারের সদস্যরা জানান, দ্বিতীয়বার গর্ভধারণের পর বাবার বাড়িতে ছিলেন সুমাইয়া। কয়েক দিন ধরে জ্বর থাকলেও সেটিকে গর্ভকালীন উপসর্গ মনে করে চিকিৎসকের কাছে যাননি তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পর কোথাও আইসিইউ শয্যা পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুসনদে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিটি করপোরেশন সরাসরি হাসপাতাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য না এলে তা সরকারি হিসাবে যুক্ত হয় না।

কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, এডিস মশা নির্মূলে সিটি করপোরেশন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় কেসিসির পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সাতটি মেডিকেল ক্যাম্পও চালু রয়েছে।