বগুড়া গাবতলী তরুনীহাটে ইছামতী নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় লাখো মানুষের সমাগমে সোমবার (২১শে সেপ্টেম্বর-২৬) দিনব্যাপী বগুড়ার গাবতলী বালিয়াদিঘী ইউনিয়নের তরুণীহাটে ইছামতী নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে।
বিভিন্ন রাউন্ড শেষে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন “রাখে আল্লাহ মারে কে” এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন “বিজয় উল্লাস” নৌকার মালিক।১০নং বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গদলের আয়োজন সমাপনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ সহমিনা আক্তার রুমা।
বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নবীর হোসেন আকন্দ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক বাবুল মন্ডল, মহিষাবান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মন্ডল, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস মাহমুদ উজ্জ্বল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম রিবন, ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম তৌরাত হোসেন পাইলট, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজীব প্রাং, বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নোমান বাবু, মহিলাদল নেত্রী নাজমা বেগম, মাজেদা ইয়াসমিন টুনি, লিপি আক্তার আশা, সাবিনা বেগম, শাবানা বেগম, পারুল বেগম।
এরপর চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ উভয়েই বিজয়ী নৌকা মালিকের হাতে পুরস্কার হিসাবে (প্রত্যেককে একটি করে গরু) মোট ২টি গরু প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে তরুণীহাট চত্বরে বসেছিল একটি মেলা। মেলায় লাখ মানুষের ঢল নামে। দুই দিনব্যাপী মেলায় বৃদ্ধ, নারী পুরুষ, তরুণ তরুণী ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছিল। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা কে ঘিরে নদীর দুইপাড়ে লাখো মানুষের ছিল উৎসবের আমেজ। ঢোলের তালে তালে মাঝিদের হৈ-হৈ-রব আর বৈঠার ছন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ইছামতী নদী। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নৌকাগুলোর ছন্দময় গতি ও মাঝিদের নৌকা চালানোর দক্ষতা উপভোগ করেন লাখো দর্শনার্থীগন।






















