1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবাদের নানা প্রতীক, ইসরায়েলকে ৩-০ গোলে হারাল আয়ারল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৭

ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে কি না, তা নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তায় ছিল আয়ারল্যান্ড। চার ঘণ্টার আলোচনা ও ভোটাভুটির পর মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয় আইরিশ দল। তবে ম্যাচে অংশ নিলেও গাজা সংঘাত নিয়ে নিজেদের অবস্থান বিভিন্ন প্রতীকী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তুলে ধরেছে তারা। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আয়ারল্যান্ড।

হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনের নাগিয়ারদেই স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই ছিল উত্তেজনা। ইসরায়েলের জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় আইরিশ খেলোয়াড়রা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকেন। ডাগআউটেও একই দৃশ্য দেখা যায়। ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচলিত করমর্দম হয়নি। অধিনায়কদের মধ্যেও হয়নি পতাকা বিনিময়।

গাজা সংঘাতে নিহতদের স্মরণে আইরিশ খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন। আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএআই) জানিয়েছিল, সংঘাতে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্মরণেই এই প্রতীকী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ম্যাচের আগে আয়ারল্যান্ডের কোচ হেইমির হালগ্রিমসন বলেছিলেন, ‘আমরা গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি।’ তাঁর এই মন্তব্যের সমালোচনা করে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। মন্তব্যটিকে ‘অজ্ঞতা ও মূর্খতা’ বলে অভিহিত করা হয়। পরে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন ইসরায়েলি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এদিকে আয়ারল্যান্ডের কয়েকজন খেলোয়াড়ও ম্যাচটি না খেলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত এফএআই, কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠক এবং ভোটাভুটির পর ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

মাঠে নামার পর অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে খুব বেশি সময় লাগেনি আইরিশদের। ১৪ মিনিটে ট্রয় প্যারট গোল করে আয়ারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। দুই মিনিট পর অ্যাডাম ইদাহ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২৫ মিনিটে জ্যাক ময়লান গোল করলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড।

ময়লানের গোল উদযাপনও ম্যাচের প্রতীকী মুহূর্ত হয়ে ওঠে। গোলের পর তিনি নিজের কালো আর্মব্যান্ড খুলে উঁচিয়ে ধরেন এবং তাতে চুমু দেন। পরে জার্সিতে থাকা আয়ারল্যান্ডের ব্যাজেও চুমু দেন তিনি।

এর আগে আয়ারল্যান্ডের নিয়মিত গোলরক্ষক গ্যাভিন বাজুনু প্রতিবাদ হিসেবে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান। নিরীহ মানুষের হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলা তাঁর নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। তাঁর পরিবর্তে গোলবার সামলান কাওইমহিন কেলাহার।

প্রথমার্ধে তিন গোল করার পর ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আয়ারল্যান্ড।

এফএআই আগে জানিয়েছিল, এই ম্যাচের টিকিট আয়ারল্যান্ড সমর্থকদের কাছে বিক্রি করা হয়নি। এরপরও গ্যালারিতে কিছু আইরিশ সমর্থককে দেখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবাদের নানা প্রতীক, ইসরায়েলকে ৩-০ গোলে হারাল আয়ারল্যান্ড

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭

ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে কি না, তা নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তায় ছিল আয়ারল্যান্ড। চার ঘণ্টার আলোচনা ও ভোটাভুটির পর মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয় আইরিশ দল। তবে ম্যাচে অংশ নিলেও গাজা সংঘাত নিয়ে নিজেদের অবস্থান বিভিন্ন প্রতীকী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তুলে ধরেছে তারা। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আয়ারল্যান্ড।

হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনের নাগিয়ারদেই স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই ছিল উত্তেজনা। ইসরায়েলের জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় আইরিশ খেলোয়াড়রা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকেন। ডাগআউটেও একই দৃশ্য দেখা যায়। ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচলিত করমর্দম হয়নি। অধিনায়কদের মধ্যেও হয়নি পতাকা বিনিময়।

গাজা সংঘাতে নিহতদের স্মরণে আইরিশ খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন। আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএআই) জানিয়েছিল, সংঘাতে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্মরণেই এই প্রতীকী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ম্যাচের আগে আয়ারল্যান্ডের কোচ হেইমির হালগ্রিমসন বলেছিলেন, ‘আমরা গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি।’ তাঁর এই মন্তব্যের সমালোচনা করে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। মন্তব্যটিকে ‘অজ্ঞতা ও মূর্খতা’ বলে অভিহিত করা হয়। পরে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন ইসরায়েলি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এদিকে আয়ারল্যান্ডের কয়েকজন খেলোয়াড়ও ম্যাচটি না খেলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত এফএআই, কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠক এবং ভোটাভুটির পর ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

মাঠে নামার পর অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে খুব বেশি সময় লাগেনি আইরিশদের। ১৪ মিনিটে ট্রয় প্যারট গোল করে আয়ারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। দুই মিনিট পর অ্যাডাম ইদাহ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২৫ মিনিটে জ্যাক ময়লান গোল করলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড।

ময়লানের গোল উদযাপনও ম্যাচের প্রতীকী মুহূর্ত হয়ে ওঠে। গোলের পর তিনি নিজের কালো আর্মব্যান্ড খুলে উঁচিয়ে ধরেন এবং তাতে চুমু দেন। পরে জার্সিতে থাকা আয়ারল্যান্ডের ব্যাজেও চুমু দেন তিনি।

এর আগে আয়ারল্যান্ডের নিয়মিত গোলরক্ষক গ্যাভিন বাজুনু প্রতিবাদ হিসেবে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান। নিরীহ মানুষের হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলা তাঁর নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। তাঁর পরিবর্তে গোলবার সামলান কাওইমহিন কেলাহার।

প্রথমার্ধে তিন গোল করার পর ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আয়ারল্যান্ড।

এফএআই আগে জানিয়েছিল, এই ম্যাচের টিকিট আয়ারল্যান্ড সমর্থকদের কাছে বিক্রি করা হয়নি। এরপরও গ্যালারিতে কিছু আইরিশ সমর্থককে দেখা যায়।