1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাত বছর ধরে হুইলচেয়ারে আকলিমা, আবারও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন।

‎মোঃ শরীফ উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১১

‎
‎একসময় অন্য সবার মতোই ছিল আকলিমার স্বাভাবিক জীবন। ছিল স্বপ্ন, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা, ছিল সংসার গড়ার ইচ্ছা। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে তার জীবনের সব হিসাব।
‎
‎প্রায় সাত বছর ধরে হুইলচেয়ার ও বিছানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আকলিমার জীবন। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়ে ফেললেও হার মানেননি তিনি। এখনও তার চোখে স্বপ্ন—একদিন আবার নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, হাঁটবেন এবং ফিরে পাবেন স্বাভাবিক জীবন।
‎
‎সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি বালুচর গ্রামের মৃত আব্দুর রাশিদের মেয়ে আকলিমা। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় সাত বছর আগে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। দুর্ঘটনায় তার মেরুদণ্ড ও দুই পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
‎
‎দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও আগের জীবনে আর ফিরতে পারেননি আকলিমা। বর্তমানে অন্যের সহযোগিতা ছাড়া চলাফেরা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট প্রয়োজন মেটাতেও তাকে পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্ভর করতে হয়।
‎
‎বিশেষ করে মায়ের সহযোগিতাই এখন তার সবচেয়ে বড় ভরসা।আকলিমার চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সামর্থ্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করতে গিয়ে এখন পরিবারটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি।
‎
‎তারপরও থেমে নেই আকলিমার লড়াই। সাত বছর ধরে শারীরিক কষ্টের সঙ্গে দিন কাটালেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন এখনও বুকে ধারণ করে আছেন তিনি।
‎
‎আকলিমার পরিবার জানায়, উন্নত চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ পেলে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রশাসন ও বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবারটি।
‎
‎আকলিমার গল্প শুধু একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ তরুণীর গল্প নয়। এটি দীর্ঘ সাত বছরের লড়াই, বেঁচে থাকার চেষ্টা এবং নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষার গল্প।
‎
‎মানবিক মানুষের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো আকলিমার জীবনে ফিরতে পারে নতুন আশার আলো। হয়তো একদিন সত্যিই হুইলচেয়ার ছেড়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন পূরণ হবে তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:২৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

সাত বছর ধরে হুইলচেয়ারে আকলিমা, আবারও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন।

আপডেট সময় : ০৭:২২:২৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
১১

‎
‎একসময় অন্য সবার মতোই ছিল আকলিমার স্বাভাবিক জীবন। ছিল স্বপ্ন, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা, ছিল সংসার গড়ার ইচ্ছা। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে তার জীবনের সব হিসাব।
‎
‎প্রায় সাত বছর ধরে হুইলচেয়ার ও বিছানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আকলিমার জীবন। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়ে ফেললেও হার মানেননি তিনি। এখনও তার চোখে স্বপ্ন—একদিন আবার নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, হাঁটবেন এবং ফিরে পাবেন স্বাভাবিক জীবন।
‎
‎সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি বালুচর গ্রামের মৃত আব্দুর রাশিদের মেয়ে আকলিমা। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় সাত বছর আগে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। দুর্ঘটনায় তার মেরুদণ্ড ও দুই পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
‎
‎দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও আগের জীবনে আর ফিরতে পারেননি আকলিমা। বর্তমানে অন্যের সহযোগিতা ছাড়া চলাফেরা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট প্রয়োজন মেটাতেও তাকে পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্ভর করতে হয়।
‎
‎বিশেষ করে মায়ের সহযোগিতাই এখন তার সবচেয়ে বড় ভরসা।আকলিমার চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সামর্থ্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করতে গিয়ে এখন পরিবারটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি।
‎
‎তারপরও থেমে নেই আকলিমার লড়াই। সাত বছর ধরে শারীরিক কষ্টের সঙ্গে দিন কাটালেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন এখনও বুকে ধারণ করে আছেন তিনি।
‎
‎আকলিমার পরিবার জানায়, উন্নত চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ পেলে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রশাসন ও বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবারটি।
‎
‎আকলিমার গল্প শুধু একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ তরুণীর গল্প নয়। এটি দীর্ঘ সাত বছরের লড়াই, বেঁচে থাকার চেষ্টা এবং নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষার গল্প।
‎
‎মানবিক মানুষের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো আকলিমার জীবনে ফিরতে পারে নতুন আশার আলো। হয়তো একদিন সত্যিই হুইলচেয়ার ছেড়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন পূরণ হবে তার।