চিলমারীতে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণকাজ অসমাপ্ত, ভাঙাচোরা সড়কে দুর্ভোগ চরমে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি ১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়ক পাকাকরণের কাজ। দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ অসমাপ্ত পড়ে থাকায় ভাঙাচোরা সড়কে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, পথচারী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে।
স্থানীয় বাসিন্দা জামেদ আলী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা। বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানি আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারণে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ শুরু হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে, এখনো শেষ হয়নি। এতে প্রতিদিনই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানা গেছে, ‘অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও তহবিলের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদগুলোর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় চিলমারী উপজেলার থানাহাট-জোড়গাছ সড়ক হয়ে নছর উদ্দিন মোড় থেকে পূর্ব মাথাভাঙ্গা শরিফের হাট ইউনিয়ন সড়ক পর্যন্ত ১ হাজার ৪৭০ মিটার সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস আর ট্রেডার্সের কাজের নির্ধারিত মেয়াদ ছিল ২০ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে খোঁড়াখুঁড়ি করে কাজ ফেলে রাখায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও মাটি ও খোয়া উঠে গিয়ে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী ও সাধারণ পথচারীদের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েক গুণ। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে গিয়েও পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, উন্নয়নকাজ শুরু হলেও দীর্ঘদিন ধরে তা অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।






















